ওয়াশিংটন ও বাকু: এবার কি পরমাণু অস্ত্রের দামামা ইরান যুদ্ধে? সৌজন্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা। ২৪ ঘণ্টা আগেই ভারত মহাসাগরে টর্পেডো ছুড়ে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন নৌসেনার সাবমেরিন, যা কি না দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম। তারপরই পেন্টাগন প্রকাশ করেছে ‘মিনিটম্যান ৩’ ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার ভিডিও। একসঙ্গে তিনটি পরমাণু অস্ত্র (ওয়ারহেড) বহনে সক্ষম এই মারণাস্ত্রের আর এক নাম ‘ডুমসডে মিসাইল’। কারণ, এটি হিরোশিমায় আঘাত হানা ‘লিটল বয়ে’র থেকে প্রায় ২০ গুণ শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা বইতে পারে। মিসাইলটির পাল্লা বা রেঞ্জ ১৩ হাজার কিলোমিটার। অর্থাৎ বিশ্বের যে-কোনো প্রান্তেই এটি নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, একবার এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলে গোটা বিশ্বে বিপুল তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে। অর্থাৎ সেটাই হবে পৃথিবীর শেষ দিন বা ‘ডুমসডে’। আর তাই আমেকিার এই মিসাইল পরীক্ষার পর বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মার্কিন এয়ার ফোর্স গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ড বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যান্ডেনবার্গ স্পেস সেন্টার থেকে মিনিটম্যান-৩ ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কয়েক হাজার মাইল দূরে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে সঠিক নিশানায় আঘাত করেছে সেটি। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কোনো যোগ নেই বলে দাবি আমেরিকার।



