


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সঠিক তথ্য দিন। কোনও মিথ্যা তথ্য দিয়ে গল্প সাজাবেন না। আর প্রশ্ন এড়িয়ে যাবেন না— নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এভাবে সুর সপ্তমে নিয়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘চুপি চুপি ভোটের কারচুপি’, এটাই হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর। এই বক্তব্য এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরুতেই করেছিলেন অভিষেক। এসআইআর প্রক্রিয়ার দিন যত এগিয়েছে, ততই বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের সরকারের চক্রান্ত দেখতে পেয়েছে তৃণমূল। যার প্রতিবাদে পথে নামে রাজ্যের শাসক দল। গত ২৪ নভেম্বর দলের বৈঠকে অভিষেক জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যাবে। সেইমতো শুক্রবার নির্বাচন কমিশনে যান জোড়াফুল ব্রিগেডের সাংসদরা। তৃণমূলর তরফে কমিশনকে পাঁচটি প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু কমিশনের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়া যায়নি বলে জোড়াফুল শিবিরের অভিযোগ। যে প্রেক্ষাপটেই কমিশনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন অভিষেক। নাম না করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘মিস্টার এসআইআর’ বলে আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সেনাপতি। তাঁর বক্তব্য, মিস্টার এসআইআর, আপনার হতাশা বুঝতে পারছি। যদি গল্প লেখার জন্য আপনার শক্তি থাকে, তাহলে অবশ্যই আমাদের পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিন। আপনার সময় এখনই শুরু।
এরপর কমিশনকে যেপ্রশ্নগুলি করা হয়েছে, তাতে রয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে কেন আগে এসআইআর করা হল না? কেন অসমে শুধু স্পেশাল রিভিশন হচ্ছে? এছাড়াও তৃণমূলের প্রশ্ন, ২০২৪ সালে যে ভোটার তালিকার নিরিখে লোকসভা নির্বাচনের মাধ্যমে কেন্দ্রের সরকার গঠন হয়েছে। তাহলে কি অবৈধ ভোটার তালিকায় কেন্দ্রের সরকার নির্বাচন হয়েছে? পাশাপাশি প্রশ্নও করা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করে জীবনের শেষ পরিণতি ডেকে এনেছেন বিএলওরা। এর দায় কি কমিশন নিচ্ছে? সেইসঙ্গে বিজেপির তরফে প্রতিদিনই দাবি করা হচ্ছে, এক কোটি লোকের নাম বাদ যাবে। এর বাস্তবতা কি? এব্যাপারে কমিশন কেন নীরব?