


ওয়াশিংটন: উটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে ভাষণ দিচ্ছিলেন কনজারভেটিভ নেতা চার্লি কার্ক। সেই সময় আততায়ীর গুলিতে খুন হন তিনি। তারপর থেকে শহরজুড়ে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়। সন্দেহভাজনের ছবি-ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি পুরস্কার মূল্যও ঘোষণা করে এফবিআই। এরইমাঝে শুক্রবার স্বস্তির খবর দিলেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানালেন, চার্লিকে খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই আততায়ীর বাবাই ছেলেকে ধরিয়ে দিয়েছেন। ইতিমধ্যে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ধৃতের নাম টাইলার রবিনসন। ২২ বছর বয়সি যুবকের বাড়ি উটাহতে।
খুনের ঘটনার পর তড়িঘড়ি তদন্তে নামে এফবিআই। বুধবার রাতেই একটি ছবি সামনে এনেছিল মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা। এদিন প্রকাশ্যে আসে সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ। ১০ সেপ্টেম্বরের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৩ মিনিট। কলেজের ছাদের উপর দিয়ে ছুটছে আততায়ী। এরপর ছাদের কিনারায় এসে নীচে ঝাঁপ দেয়। পরনে কালো ফুলহাতা টি-শার্ট। মাথায় টুপি, চোখে সানগ্লাস ও পিঠে ব্যাগ। শুরুতে এদিক-ওদিক দেখে মাঠের মধ্যে কিছুটা পথ দৌড়তে থাকে। পরে পার্কিং লটের কাছে এসে একেবারে ধীরেসুস্থে হাঁটতে থাকে টাইলার। একসময় রাস্তা পার করে জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায় সে।
এফবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পালানোর সময় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি জঙ্গলের মধ্যে বন্দুক ও কার্তুজ ফেলে গিয়েছিল দুষ্কৃতী। ইতিমধ্যে ছাদ থেকে তার জুতো, হাতের তালু ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। ধৃতকে জেরার পাশাপাশি হাতের ছাপও মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।