সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: তিন মাস পর সাত ফাল্গুন বার্ষিক পুজো। এদিকে ডানা ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে চৌচির পাথরপ্রতিমার দুর্বাচটি পঞ্চায়েতের জানকী সিংহের ঘেরির বৈষ্ণবী শীতলা মন্দির। বার্ষিক পুজোতে নামখানা, কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবার, পাথরপ্রতিমা, এমনকি মেদিনীপুর থেকেও ভক্তরা এখানে আসেন। হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে এই প্রত্যন্ত এলাকা। এই অবস্থা থাকলে কোথায় পুজো দেবে সবাই? প্রবল দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে স্থানীয় মহলে।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ডানা ঘূর্ণিঝড়ে মন্দিরটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। এখন ঠাকুরদেবতার মূর্তিগুলি ত্রিপলের ছাউনি দেওয়া খড় ঘেরা একটি ছোট ঘরে রাখা। গ্রামবাসীরা মন্দির ঠিক করার জন্য মানুষের কাছে সাহায্যের আশায় ছুটছেন। আনুমানিক ১১০ বছর আগে জমিদার জানকীনাথ সিংহ মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। তখন একটি পুকুরের পাশে বকড়ার (ঝাঁটা তৈরির একপ্রকার গাছ) জঙ্গল ছিল। সে জঙ্গলেই একদিন ত্রিশূল, চক্র ও একটি সিঁদুর মাখা আশাবাড়ি (শীতলা দেবীর সঙ্গে থাকা একপ্রকার দণ্ড) খুঁজে পান কয়েকজন।
তৎকালীন জমিদার জানকী একটি খড়ের ছাদের ও মাটির দেওয়ালের মন্দির নির্মাণ করে দেন। মন্দিরে শীতলা, বিশালাক্ষী ও মনসার মূর্তি স্থাপন হয়। এছাড়াও গণেশের মূর্তিও রাখা হয়। পাশাপাশি জঙ্গল থেকে পাওয়া ত্রিশূল, চক্র ও আশাবাড়িও রাখা আছে। সেই সময় জমিদার কাঠের মূর্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেগুলি প্রায় সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশ বছর আগে গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে বালি ও সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করেন দেবদেবীর মূর্তি। তা স্থাপনও করেন। জমিদারের তৈরি কাঁচা মন্দিরটি ৬০ বছর পর ভেঙে পড়ে। এরপর গ্রামবাসীরাই পাঁচ ইঞ্চি ইটের দেওয়াল গেঁথে টালির ছাদের একটি ছোট আকারের মন্দির তৈরি করেন। অনেকগুলি প্রাকৃতিক বিপর্যয় সয়েছে সে মন্দির। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকা আটকানো যায়নি। এবার ডানার প্রকোপে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল যখন তখন বার্ষিক পুজোর আর বিশেষ দেরি নেই।
পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দুলাল মণ্ডল বলেন, ‘প্রাচীনতম এই মন্দির নির্মাণের জন্য সরকারি সাহায্য পেলে খুব ভালো হতো। সরকারি সাহায্য পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে জানানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।’
তৎকালীন জমিদার জানকী একটি খড়ের ছাদের ও মাটির দেওয়ালের মন্দির নির্মাণ করে দেন। মন্দিরে শীতলা, বিশালাক্ষী ও মনসার মূর্তি স্থাপন হয়। এছাড়াও গণেশের মূর্তিও রাখা হয়। পাশাপাশি জঙ্গল থেকে পাওয়া ত্রিশূল, চক্র ও আশাবাড়িও রাখা আছে। সেই সময় জমিদার কাঠের মূর্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেগুলি প্রায় সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশ বছর আগে গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে বালি ও সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করেন দেবদেবীর মূর্তি। তা স্থাপনও করেন। জমিদারের তৈরি কাঁচা মন্দিরটি ৬০ বছর পর ভেঙে পড়ে। এরপর গ্রামবাসীরাই পাঁচ ইঞ্চি ইটের দেওয়াল গেঁথে টালির ছাদের একটি ছোট আকারের মন্দির তৈরি করেন। অনেকগুলি প্রাকৃতিক বিপর্যয় সয়েছে সে মন্দির। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকা আটকানো যায়নি। এবার ডানার প্রকোপে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল যখন তখন বার্ষিক পুজোর আর বিশেষ দেরি নেই।
পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দুলাল মণ্ডল বলেন, ‘প্রাচীনতম এই মন্দির নির্মাণের জন্য সরকারি সাহায্য পেলে খুব ভালো হতো। সরকারি সাহায্য পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে জানানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।’



