ওয়াশিংটন: গত সোমবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়েছেন। জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করে এগজিকিউটিভ অর্ডারে সই করেছেন তিনি। কিন্তু তিন দিনের মধ্যে সেই নির্দেশ কার্যকরের ক্ষেত্রে বাধ সাধল সেদেশের ফেডারেল আদালত। বিচারপতির সাফ কথা, ট্রাম্পের এই ফরমান দেশের সংবিধানের পরিপন্থী। ফলে আপাতত তা কার্যকর করা যাবে না। আদালতের এই নির্দেশে স্বস্তিতে সেদেশে বসবাসকারী কয়েক লক্ষ অভিবাসী। যাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশ ভারতীয়।
Advertisement
নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের এগজিকিউটিভ অর্ডারে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল অভিবাসীদের মধ্যে। কারণ নয়া নিয়ম অনুযায়ী দম্পত্তির মধ্যে একজনেও গ্রিন কার্ড না থাকলে তাঁদের সন্তান জন্মসূত্রে আর সেদেশের নাগরিকত্ব পাবেন না। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল নয়া নিয়ম। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আবেদন করেছিল ওয়াশিংটন, অ্যারিজোনা সহ ডেমোক্রেট শাসিত চারটি প্রদেশ। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ কার্যকরের ক্ষেত্রে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল ওয়শিংটন স্টেট ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারক জন কফেনার তাঁর রায়ে বলেন, ‘এই নির্দেশ সম্পূর্ণভাবে সংবিধান বিরোধী।’ যে কারণে ১৪ দিনের জন্য এগজিকিউটিভ অর্ডার কার্যকর করা যাবে না। পরবর্তী শুনানি ৬ ফেব্রুয়ারি।
যদিও দমে যাওয়ার পাত্র নন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জোরদার অভিযান চলছে বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে। গত তিন দিনে কয়েকশো অবৈধ অভিবাসীকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।
যদিও দমে যাওয়ার পাত্র নন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জোরদার অভিযান চলছে বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে। গত তিন দিনে কয়েকশো অবৈধ অভিবাসীকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।



