নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নর্দমার জল পরিশোধন করে বিভিন্ন কাজে লাগাতে প্রাথমিকভাবে একটি প্লান্ট বসানোর কথা ভাবছে পুরসভা। জানা গিয়েছে, ওই প্লান্টের মাধ্যমে আপাতত দিনে ৫০ হাজার লিটার নর্দমার জল শোধনের পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার। নিকাশির নোংরা জল শোধন করে তা গাছ বা রাস্তাঘাট ধোয়ানোর কাজে ব্যবহার করা যায় কি না, তা জানতে খড়্গপুর আইআইটিকে গবেষণার দায়িত্ব দিয়েছিল পুরসভা। তাতেই ইতিবাচক ফলাফল মিলেছে। গবেষণার দায়িত্বপ্রাপ্ত খড়্গপুর আইআইটির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শীর্ষেন্দু দে বুধবার পুরসভায় এসেছিলেন। মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং নিকাশি বিভাগের মেয়র পারিষদ তারক সিংকে তিনি চূড়ান্ত রিপোর্ট দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুর কমিশনার ধবল জৈন, নিকাশি বিভাগের ডিজি শান্তনুকুমার ঘোষ সহ অন্যান্যরা।
Advertisement
‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে একটি প্লান্ট তৈরির জন্য নোনাডাঙা এবং সাদার্ন অ্যাভিনিউ পাম্পিং স্টেশন পরিদর্শন করে আইআইটির টিম। নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, অবস্থানগত সুবিধার করাণে সাদার্ন অ্যাভিনিউর পাম্পিং স্টেশনকেই প্লান্টের জন্য বেছে নেওয়া হতে পারে। মেয়র পারিষদ তারক সিং বলেন, ‘আপাতত ৫০ হাজার লিটার নর্দমার জল রোজ পরিশোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সাফল্য এলে বাদবাকি পাম্পিং স্টেশনে এই প্রযুক্তি বসানো হবে। এর ফলে পাম্পিং স্টেশনের নোংরা জল আর গঙ্গায় পড়বে না। দূষণও কমবে। আবার পরিস্রুত জল দিয়ে গাছ, রাস্তা ধোয়া হলে এর জন্য পরিস্রুত পানীয় জলের খরচ বাঁচবে।
জানা গিয়েছে, এক হাজার লিটার জল শোধন করতে ৫ টাকা থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে প্লান্ট কত বড় হবে, সেখানে কী ধরনের মেশিন বসবে—এসবের উপর খচর নির্ভর করছে। তারকবাবু বলেন, ‘সব দিক খতিয়ে দেখে প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হবে।’
জানা গিয়েছে, এক হাজার লিটার জল শোধন করতে ৫ টাকা থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে প্লান্ট কত বড় হবে, সেখানে কী ধরনের মেশিন বসবে—এসবের উপর খচর নির্ভর করছে। তারকবাবু বলেন, ‘সব দিক খতিয়ে দেখে প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হবে।’



