নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার সকালে দত্তপুকুরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ের। নাম রণজিৎ দেবনাথ (৫৮)। তিনি দত্তপুকুর আদর্শ বিদ্যাপীঠ স্কুলের ক্লার্ক পদে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিসকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, রাস্তা দখল করে ব্যবসা চলছে। বেপরোয়াভাবে লরি ও ডাম্পারের যাতায়াতের ফলে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিস ডাম্পারটি আটক করলেও চালক পলাতক।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রণজিৎবাবুর বাড়ি দত্তপুকুরের দেবনাথ পাড়ায়। তিনি চাকরির পাশাপাশি পৈতৃক মশলার ব্যবসাও সামলাতেন। বাড়িতে স্ত্রী রয়েছেন। কয়েক বছর আগে একটি শিশুকে দত্তক নিয়েছিলেন। এদিন সকাল আটটা নাগাদ নিজের নতুন স্কুটিতে মশলা নিয়ে যাওয়ার সময় ১ নম্বর রেলগেট পার করে নীলগঞ্জ রোড ধরে এগতেই দুর্ঘটনার শিকার হন। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ভ্যান ওভারটেক করার সময়ে পিছন থেকে আসা ডাম্পারের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তা দেখে ক্ষিপ্ত জনতা বিক্ষোভ শুরু করে। ডাম্পারের বেপরোয়া গতি, রাস্তার দু’ধারে অটো, টোটো ও ভ্যানের দখলদারির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। দীর্ঘ সময় পুলিসকে ঘিরে রাখা হয়। দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়ে পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সৌমিত্র দেবনাথ ও সজল বিশ্বাস বলেন, রাস্তা এখন অটো, টোটো ও ভ্যানের দখলে চলে গিয়েছে। ফুটপাথ নেই। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ঝড়ের গতিতে ছুটছে লরি, ডাম্পার। পুলিসের কোনও ভূমিকা চোখে পড়ে না। দত্তপুকুর-১ পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের সঞ্চালক অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। যদিও পুলিস জানিয়েছে, ডাম্পারের গতি বেশি ছিল না। ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়েই বিপত্তি ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সৌমিত্র দেবনাথ ও সজল বিশ্বাস বলেন, রাস্তা এখন অটো, টোটো ও ভ্যানের দখলে চলে গিয়েছে। ফুটপাথ নেই। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ঝড়ের গতিতে ছুটছে লরি, ডাম্পার। পুলিসের কোনও ভূমিকা চোখে পড়ে না। দত্তপুকুর-১ পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের সঞ্চালক অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। যদিও পুলিস জানিয়েছে, ডাম্পারের গতি বেশি ছিল না। ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়েই বিপত্তি ঘটেছে।



