নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: পুরনো গাড়ি কেনার অনলাইন চক্রের পান্ডারা জাল ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দেওয়ার ক্ষেত্রে টানা ব্যাঙ্ক ছুটির দিনগুলিকে বেছে নিত। সপ্তাহের শেষ অথবা ব্যাঙ্কে দু’-তিনদিন ছুটি রয়েছে দেখে তারা বিক্রেতাদের ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দিত। যাতে তারা তা ভাঙানোর আগেই গাড়ি গায়েব করে দেওয়া যায়, তারজন্যই ওই ছক কষত প্রতারকরা। ছাতনায় পুরনো গাড়ি বিক্রি নিয়ে প্রতারণার ঘটনায় ধৃত শেখ সেলিমকে জেরা করে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেলিম গাড়িটিকে গায়েব করার মতলবে ছিল বলেও পুলিস আধিকারিকারা জানতে পেরেছেন। দু’-একদিনের মধ্যে গাড়িটির যন্ত্রাংশ পৃথক করে ফেলার মতলব ছিল সেলিমের। পাশাপাশি রং ও নম্বর প্লেট পরিবর্তন করে গাড়িটি চোরাবাজারে বিক্রির বিকল্প ব্যবস্থারও পরিকল্পনা করছিল। ফলে বেশি দেরি করলে গাড়িটি আর আস্ত উদ্ধার করা সম্ভব হতো না বলেই তদন্তকারীরা মনে করছেন।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, প্রতারণা চক্রের চাঁইরা জাল ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দেওয়ার ক্ষেত্রে টানা ব্যাঙ্ক ছুটির দিনগুলিকে বেছে নেয়। ব্যাঙ্কে দু’-তিনদিন ছুটি রয়েছে দেখে তারা বিক্রেতাদের ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দিত। যাতে বিক্রেতা তা ভাঙানোর আগেই গাড়ি গায়েব করে দেওয়া যায়, তারজন্যই প্রতারকরা ওই পরিকল্পনা ছকে রাখে। প্রলোভন বা ছলচাতুরির ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। সন্দেহজনক কিছু মনে হলে দ্রুত পুলিসকে জানানোর জন্যও বলা হচ্ছে।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ডিমান্ড ড্রাফট হাতে পাওয়ার পরেই সেটি ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার প্রবণতা বেশিরভাগ মানুষের থাকে। সেটা প্রতারকরাও জানে। ফলে তারা ব্যাঙ্ক ছুটির দিনগুলিকেই বেছে নেয়। ব্যাঙ্কে ওই কাগজ জমা পড়ার আগেই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। তিনি আরও বলেন, নিপুণভাবে ডিমান্ড ড্রাফট তৈরির ফলে খালি চোখে সেটি আসল নাকি নকল, তা বোঝা যায় না। একমাত্র ব্যাঙ্কের লোকজনই তা দেখে গ্রাহককে জানাতে পারেন। তা জানার পর প্রতারিতরা পুলিসের দ্বারস্থ হন। দ্রুততার সঙ্গে ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পুলিসের নাগাল পেয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কা প্রতারকদের মধ্যে সবসময় থাকে। সেই কারণে তারা কিছুটা সময় নেওয়ার জন্য শনিবার বিকেল বা টানা দু-তিনদিন ব্যাঙ্ক ছুটি রয়েছে, এমন দিনের জন্য অপেক্ষা করে। ততক্ষণ নানা অছিলায় গাড়ির মালিক তথা বিক্রেতাকে ঝুলিয়ে রাখে। এছাড়া যানবাহনের মালিক যাতে সাত-পাঁচ না ভেবে প্রতারকদের কাছে গাড়ি বিক্রির জন্য রাজি হয়ে যান, তারজন্য দেড়গুণ পর্যন্ত দাম দেওয়ার কথা বলা হয়। কখনও কখনও প্রকৃত বাজারদরের থেকে দ্বিগুণ দামের টোপও দেওয়া হয়। সেই প্রলোভনে পা দিয়েই অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন বলে পুলিস কর্তারা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পরিবহণ দপ্তরে মালিকানা সংক্রান্ত নথিপত্র পরিবর্তন না করেই ঝাঁটিপাহাড়ীর ওই যুবকের কাছ থেকে ন’লক্ষ টাকায় গাড়িটি প্রতারকরা কলকাতায় নিয়ে যায়। বাজারদরের থেকে বেশি দাম পেয়ে বিক্রেতাও পরে নথি পরিবর্তন করার ব্যাপারে রাজি হয়ে যান। কিন্তু, এভাবে যে পুরো গাড়িটিই হারাতে বসছেন তা ঘুণাক্ষরেও ওই যুবক টের পাননি। আর কিছুদিন গেলেই গাড়িটির যন্ত্রাংশ ‘কাটিং’ করে অন্য যানবাহনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতো বলে সেলিম আমাদের জানিয়েছে।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ডিমান্ড ড্রাফট হাতে পাওয়ার পরেই সেটি ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার প্রবণতা বেশিরভাগ মানুষের থাকে। সেটা প্রতারকরাও জানে। ফলে তারা ব্যাঙ্ক ছুটির দিনগুলিকেই বেছে নেয়। ব্যাঙ্কে ওই কাগজ জমা পড়ার আগেই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। তিনি আরও বলেন, নিপুণভাবে ডিমান্ড ড্রাফট তৈরির ফলে খালি চোখে সেটি আসল নাকি নকল, তা বোঝা যায় না। একমাত্র ব্যাঙ্কের লোকজনই তা দেখে গ্রাহককে জানাতে পারেন। তা জানার পর প্রতারিতরা পুলিসের দ্বারস্থ হন। দ্রুততার সঙ্গে ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পুলিসের নাগাল পেয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কা প্রতারকদের মধ্যে সবসময় থাকে। সেই কারণে তারা কিছুটা সময় নেওয়ার জন্য শনিবার বিকেল বা টানা দু-তিনদিন ব্যাঙ্ক ছুটি রয়েছে, এমন দিনের জন্য অপেক্ষা করে। ততক্ষণ নানা অছিলায় গাড়ির মালিক তথা বিক্রেতাকে ঝুলিয়ে রাখে। এছাড়া যানবাহনের মালিক যাতে সাত-পাঁচ না ভেবে প্রতারকদের কাছে গাড়ি বিক্রির জন্য রাজি হয়ে যান, তারজন্য দেড়গুণ পর্যন্ত দাম দেওয়ার কথা বলা হয়। কখনও কখনও প্রকৃত বাজারদরের থেকে দ্বিগুণ দামের টোপও দেওয়া হয়। সেই প্রলোভনে পা দিয়েই অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন বলে পুলিস কর্তারা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পরিবহণ দপ্তরে মালিকানা সংক্রান্ত নথিপত্র পরিবর্তন না করেই ঝাঁটিপাহাড়ীর ওই যুবকের কাছ থেকে ন’লক্ষ টাকায় গাড়িটি প্রতারকরা কলকাতায় নিয়ে যায়। বাজারদরের থেকে বেশি দাম পেয়ে বিক্রেতাও পরে নথি পরিবর্তন করার ব্যাপারে রাজি হয়ে যান। কিন্তু, এভাবে যে পুরো গাড়িটিই হারাতে বসছেন তা ঘুণাক্ষরেও ওই যুবক টের পাননি। আর কিছুদিন গেলেই গাড়িটির যন্ত্রাংশ ‘কাটিং’ করে অন্য যানবাহনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতো বলে সেলিম আমাদের জানিয়েছে।



