সংবাদদাতা, ডোমকল: আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করেও হল না শেষরক্ষা। ডোমকলে পুলিসের ওপর হামলা চালিয়ে হেফাজতে থাকা অভিযুক্তকে ছিনতাইয়ের মূল মাস্টারমাইন্ড তথা প্রাক্তন তৃণমূল প্রধানের স্বামী হাফিজুল শেখ গ্রেপ্তার হল। শনিবার রাতেই ডোমকলে ধৃতের এক আত্মীয়ের বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাতে রবিবার বহরমপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা ওই সুযোগে পুলিসি হেফাজত থেকে পালানো রানা শেখ। তার খোঁজে লাগাতার তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।
Advertisement
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে ডোমকলের আলিনগরের একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। তার দিন দুয়েক বাদে ওই চুরির অভিযোগে আলিনগরে রানা শেখ নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বুধবার রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে চুরির টাকা ও সোনা উদ্ধারে তার বাড়িতে গিয়েছিল তদন্তকারী অফিসার সহ থানা পুলিসের একটি টিম। পুলিসের দাবি, সেই সময় তাকে নিয়ে পৌঁছতেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন রানার আত্মীয় তথা রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মিনা বিবি, তাঁর স্বামী হাফিজুল সহ পুরো পরিবার। ওই বিশৃঙ্খলার মাঝেই রানাকে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়। তাতে বাধা দিতেই পুলিসের গাড়ির চালকের গলায় ধরা হয় ধারালো অস্ত্র। ধারালো অস্ত্র চালানো হয় কেসের তদন্তকারী আধিকারিক রানাপ্রতাপ সেনগুপ্তকে লক্ষ্য করেও। তাতে তাঁর আঙুলের একটি অংশ কেটে যায়। আচমকা এই হামলায় পুলিস হকচকিয়ে গেলে সেখান থেকে চম্পট দেয় রানা ও হাফিজুল। পরে পুলিস পৌঁছে সেখান থেকে রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান মিনা বিবি, তার ছেলে সুরজ শেখ, মিনার ভাসুরের ছেলে মফিজুল শেখ ও রানার স্ত্রী বৈশাখী বিবিকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনায় পুলিসের তরফে ১২ জনের নামের মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিস। এরমধ্যেই পুলিসি গ্রেপ্তারি এড়াতে আত্মীয়ের বাড়িতে গা ঢাকা দেয় হাফিজুল। অবশেষে ডোমকল থানার পুলিস খোঁজ পেয়ে শনিবার রাতেই সেই আত্মীয়ের বাড়িতে হানা দেয়। গ্রেপ্তার করে তাকে থানায় তুলে আনা হয়।
তবে হাফিজুল গ্রেপ্তার হলেও এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত রানা। সে গ্রেপ্তার না হওয়ায় কিছু প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু হয়েছে। যেমন, এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে অভিযুক্তকে ছিনতাইয়ের ছক কি আগেই কষেছিল অভিযুক্তরা? রাজনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে বলেই কি পুলিসের ওপরে হামলার সাহস দেখিয়েছিল অভিযুক্তরা? আগের পরিকল্পনা থেকেই কি বুধবার রাতে নিজের বাড়িতে সোনা রাখা আছে বলে পুলিসকে জানিয়েছিল রানা?
ঘটনায় পুলিসের তরফে ১২ জনের নামের মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিস। এরমধ্যেই পুলিসি গ্রেপ্তারি এড়াতে আত্মীয়ের বাড়িতে গা ঢাকা দেয় হাফিজুল। অবশেষে ডোমকল থানার পুলিস খোঁজ পেয়ে শনিবার রাতেই সেই আত্মীয়ের বাড়িতে হানা দেয়। গ্রেপ্তার করে তাকে থানায় তুলে আনা হয়।
তবে হাফিজুল গ্রেপ্তার হলেও এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত রানা। সে গ্রেপ্তার না হওয়ায় কিছু প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু হয়েছে। যেমন, এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে অভিযুক্তকে ছিনতাইয়ের ছক কি আগেই কষেছিল অভিযুক্তরা? রাজনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে বলেই কি পুলিসের ওপরে হামলার সাহস দেখিয়েছিল অভিযুক্তরা? আগের পরিকল্পনা থেকেই কি বুধবার রাতে নিজের বাড়িতে সোনা রাখা আছে বলে পুলিসকে জানিয়েছিল রানা?



