নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিচারাধীন বন্দির মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের নাম মৌসম চট্টোপাধ্যায় (৩২)। বাড়ি আড়িয়াদহে। তাঁর বাবা সঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ, দমদম জেলে মারধরের জেরেই মৃত্যু হয়েছে ছেলের। তাঁর দাবি, গ্রেপ্তারের পর থেকেই টাকা চেয়ে পুলিস নির্যাতন চালাচ্ছিল। যদিও পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করছে দমদম জেল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
গত বছর ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে নিমন্ত্রণ বাড়ি থেকে ফেরার পথে মাদক মামলায় দক্ষিণেশ্বর থানার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বরানগর পুরসভার কর্মী মৌসম। তারপর থেকেই তিনি দমদম জেলে বিচারাধীন বন্দি হিসেবে ছিলেন। দমদম জেল সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন আগে কানে সংক্রমণ হয়েছিল মৌসমের। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ জেলের হাসপাতালে কয়েক দফা চিকিৎসাও করা হয় তাঁর। কিন্তু সোমবার বিকেল থেকে সংক্রমণের জেরে জ্বর হওয়ায় পরিস্থিতি বাড়াবাড়ি আকার নেয়। পাশাপাশি কান থেকে তরল বের হতে শুরু করে। রাতেই তাঁকে জেল কর্তৃপক্ষ আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই রাত সোয়া ১টা নাগাদ ওই বিচারাধীন বন্দির মৃত্যু হয়।
মৃত মৌসমের পরিবারের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর থানার পুলিস বাড়িতে বার্তা পাঠিয়ে আর জি কর হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর তাঁদের জানানো হয়, মৌসমের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দেহ মর্গে চলে যাওয়ায়, বাবা-মাকে ছেলের মুখ দেখতে দেওয়া হয়নি।
কলকাতার টালা থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে একজন বন্দি মৃত্যুর ঘটনায় নিয়ম মেনে জুডিশিয়াল এনকোয়ারি শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আজ বুধবার দুপুরে জুডিশিয়াল এনকোয়েস্ট ও ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও এনকোয়েস্টের গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করা হবে। জুডিশিয়াল এনকোয়েস্টের মাধ্যমে জানা যাবে, মৃত বন্দির দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন আছে কি না। তেমনি ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বারাকপুর কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ সহ ১৮টি মামলা আছে। এদিন মৃতের মা মুক্তা চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুধুমাত্র পয়সার লালসায় বিনা চিকিৎসায় আমার ছেলেকে মেরে ফেলা হল। আমাদের একবার দেখতেও দেওয়া হয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মৌসমের দেহ সংরক্ষণ চেয়ে মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হয়। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ অনুমতি দিয়েছেন।
মৃত মৌসমের পরিবারের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর থানার পুলিস বাড়িতে বার্তা পাঠিয়ে আর জি কর হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর তাঁদের জানানো হয়, মৌসমের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দেহ মর্গে চলে যাওয়ায়, বাবা-মাকে ছেলের মুখ দেখতে দেওয়া হয়নি।
কলকাতার টালা থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে একজন বন্দি মৃত্যুর ঘটনায় নিয়ম মেনে জুডিশিয়াল এনকোয়ারি শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আজ বুধবার দুপুরে জুডিশিয়াল এনকোয়েস্ট ও ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও এনকোয়েস্টের গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করা হবে। জুডিশিয়াল এনকোয়েস্টের মাধ্যমে জানা যাবে, মৃত বন্দির দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন আছে কি না। তেমনি ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বারাকপুর কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ সহ ১৮টি মামলা আছে। এদিন মৃতের মা মুক্তা চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুধুমাত্র পয়সার লালসায় বিনা চিকিৎসায় আমার ছেলেকে মেরে ফেলা হল। আমাদের একবার দেখতেও দেওয়া হয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মৌসমের দেহ সংরক্ষণ চেয়ে মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হয়। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ অনুমতি দিয়েছেন।



