নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: গাড়ি, টোটোর পর শহর শিলিগুড়িতে দামি সাইকেলে নজর পড়েছে চোরের দলের। শহরের একাধিক এলাকার আবাসন ও ফ্ল্যাটে রেকি করে একের পর এক সাইকেল চুরি যাচ্ছে। শহরজুড়ে এই ধরনের চোরের দাপট বেড়েছে। এই অভিযোগ যে ভিত্তিহীন নয়, তা ফের প্রমাণিত হল শনিবার রাতের নিউ জলপাইগুড়ি থানার অভিযানে। ১১টি চুরির সাইকেল সহ এক দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম শিব চৌধুরী। বাড়ি শিলিগুড়ি থানার অন্তর্গত মহারাজ কলোনিতে।
Advertisement
নিউ জলপাইগুড়ি থানার অ্যান্টিক্রাইম উইংয়ের পুলিস রাতে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে। রাতে রেল হাসপাতাল মোড় থেকে দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে পুলিস। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আরও তথ্য বেরিয়ে আসে। সেই মতো অভিযুক্তকে নিয়ে কাশ্মীর কলোনিতে হানা দেয় পুলিস। আর সেখানে একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের ভিতর থেকে দশটি সাইকেল উদ্ধার হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রে আর কে বা কারা জড়িত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিস।
এই ব্যাপারে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা একজনকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এই চক্রের বাকি পান্ডারা আর কে কোথায় আছে, খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
শুধুমাত্র নিউ জলপাইগুড়ি থানা এলাকাই নয়। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া, প্রধাননগর থানার এলাকাতেও পুলিসের একাধিক অভিযানে কয়েকমাসে অন্ততপক্ষে ৪০টি সাইকেল উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদেরও। পুলিসের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ সাইকেল নয়, এই দলের মূল লক্ষ্য দামি সাইকেল। যেগুলোর দাম আট হাজার থেকে শুরু করে পনেরো হাজার পর্যন্ত। সাইকেলগুলোকে কিছু গোপন জায়গায় রেখে পরে তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। অনেক সময় জেলার বাইরে ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যে এই সাইকেল পাচার করা হয় বলে অভিযোগ। নামী ব্র্যান্ডের দামি সাইকেলের চাহিদা বিহার সহ একাধিক জেলায় রয়েছে। পুলিসের তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, মাদকাসক্তদের একটি বড় অংশ এই সাইকেল চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তারা রীতিমতো বড় বড় আবাসন, ঘিঞ্জি ফ্ল্যাটবাড়ি এলাকায় নজর রাখে। কারা সাইকেল ব্যবহার করছে, কোন ফ্ল্যাটে দামি সাইকেল আছে, সবই দিনের বেলা এলাকায় চক্কর দিয়ে দেখে যাচ্ছে তারা। কোথাও সাইকেল মালিক সামান্য অসাবধান হলেই সাইকেল নিয়ে পগাড় পাড় হয়ে যায় ওই চোরের দল। এরপর সাইকেলগুলো একাধিক সাপ্লাইয়ারের কাছে কম দামে বিক্রি করে তারা। এইভাবেই এই চক্র কাজ করে চলেছে।
এই ব্যাপারে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা একজনকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এই চক্রের বাকি পান্ডারা আর কে কোথায় আছে, খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
শুধুমাত্র নিউ জলপাইগুড়ি থানা এলাকাই নয়। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া, প্রধাননগর থানার এলাকাতেও পুলিসের একাধিক অভিযানে কয়েকমাসে অন্ততপক্ষে ৪০টি সাইকেল উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদেরও। পুলিসের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ সাইকেল নয়, এই দলের মূল লক্ষ্য দামি সাইকেল। যেগুলোর দাম আট হাজার থেকে শুরু করে পনেরো হাজার পর্যন্ত। সাইকেলগুলোকে কিছু গোপন জায়গায় রেখে পরে তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। অনেক সময় জেলার বাইরে ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যে এই সাইকেল পাচার করা হয় বলে অভিযোগ। নামী ব্র্যান্ডের দামি সাইকেলের চাহিদা বিহার সহ একাধিক জেলায় রয়েছে। পুলিসের তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, মাদকাসক্তদের একটি বড় অংশ এই সাইকেল চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তারা রীতিমতো বড় বড় আবাসন, ঘিঞ্জি ফ্ল্যাটবাড়ি এলাকায় নজর রাখে। কারা সাইকেল ব্যবহার করছে, কোন ফ্ল্যাটে দামি সাইকেল আছে, সবই দিনের বেলা এলাকায় চক্কর দিয়ে দেখে যাচ্ছে তারা। কোথাও সাইকেল মালিক সামান্য অসাবধান হলেই সাইকেল নিয়ে পগাড় পাড় হয়ে যায় ওই চোরের দল। এরপর সাইকেলগুলো একাধিক সাপ্লাইয়ারের কাছে কম দামে বিক্রি করে তারা। এইভাবেই এই চক্র কাজ করে চলেছে।



