নয়াদিল্লি: বাবা, মা আর দিদিকে কীভাবে খুন করা যায়? খাবারে বিষ মিশিয়ে না শ্বাসরোধ করে। নাকি অন্য কোনও উপায়। গত কয়েকদিন মোবাইল ইন্টারনেটে এটা সার্চ করছিল দিল্লিতে তিন খুনে অভিযুক্ত অর্জুন তানওয়ার। তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। শেষমেশ অবশ্য নৃশংসভাবে ছুরি দিয়ে তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে। জানা গিয়েছে, প্রথমে সে দিদি কবিতার গলার নলি কেটে দেয়। তারপর বাবার মাথায় কোপ মারে। সবশেষে মায়ের উপর হামলা চালায়।
Advertisement
আদতে ‘মুখচোরা’ অর্জুন যে এতটা নৃশংস হয়ে উঠতে পারে, এটা মেনে নিতেই পারছেন না প্রতিবেশীরা। এলাকায় তার পরিচিতি ছিল প্রতিশ্রুতিবান বক্সার হিসেবে। কোনওদিন জিমের টাইম মিস করতেন না। কড়া অনুশাসনে নিজেকে দক্ষ স্পোর্টসম্যান হিসেবে গড়ে তুলছিলেন। হঠাৎ করেই এই ছন্দপতন কেন, সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সম্পত্তি বেদখল হওয়ার আশঙ্কাতেই সে তিনজনকে খুন করেছে। তবে ভাইবোনের প্রাক্তন শিক্ষক গৌরব বলেন, ‘বাবা-ছেলের মধ্যে কোনও অশান্তি ছিল, এমনটা কখনও মনে হয়নি।’ তবে পুলিস এটা নিশ্চিত জানতে পেরেছে, পড়াশোনায় অর্জুন খুব ভালো ছিল না। অন্যদিকে তার দিদি ছিলেন মেধাবী ছাত্রী। সেকারণেই বাবা রাকেশ মেয়ে কবিতার প্রতি ছিলেন অত্যন্ত সদয়। সেই থেকেই দিদি ও বাবা-মায়ের প্রতি অর্জুনের রোষের জন্ম বলে মনে করছে পুলিস। অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী রাকেশের ছুরি চুরি করেই অর্জুন এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। প্রথমে একতলায় দিদির ঘরে ঢুকে সে তাঁর গলা কেটে দেয়। কবিতা আটকাতে গেলে বেশ কয়েকবার তাকে কোপায়। ২৩ বছরের ওই যুবতীর দেহে সেই ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। পরে দোতলায় উঠে বাবার মাথায় কোপ মারে অর্জুন। সেই সময় মা কোমল শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। বাবাকে শেষ করার পর মা বাথরুম থেকে বেরতেই তাঁর উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। দিদির মতো মায়ের দেহেও বেশ কয়েকবার কোপ মারে অর্জুন। তবে তিন স্বজনকে খুনের পর প্রতিবেশীদের ডেকে সে যেভাবে মনগড়া গল্প ফেঁদেছিল, তাতেই সকলে হতবাক। পড়শিরা জানিয়েছেন, তাঁদের ডেকে নিয়ে আসার পর থেকে একবারের জন্যও অর্জুনের আচরণে কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়েনি। মুখচোরা অর্জুন শান্তভাবেই মিথ্যা গল্প সাজিয়ে তাঁদের কাছে পরিবেশন করেছিল।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সম্পত্তি বেদখল হওয়ার আশঙ্কাতেই সে তিনজনকে খুন করেছে। তবে ভাইবোনের প্রাক্তন শিক্ষক গৌরব বলেন, ‘বাবা-ছেলের মধ্যে কোনও অশান্তি ছিল, এমনটা কখনও মনে হয়নি।’ তবে পুলিস এটা নিশ্চিত জানতে পেরেছে, পড়াশোনায় অর্জুন খুব ভালো ছিল না। অন্যদিকে তার দিদি ছিলেন মেধাবী ছাত্রী। সেকারণেই বাবা রাকেশ মেয়ে কবিতার প্রতি ছিলেন অত্যন্ত সদয়। সেই থেকেই দিদি ও বাবা-মায়ের প্রতি অর্জুনের রোষের জন্ম বলে মনে করছে পুলিস। অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী রাকেশের ছুরি চুরি করেই অর্জুন এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। প্রথমে একতলায় দিদির ঘরে ঢুকে সে তাঁর গলা কেটে দেয়। কবিতা আটকাতে গেলে বেশ কয়েকবার তাকে কোপায়। ২৩ বছরের ওই যুবতীর দেহে সেই ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। পরে দোতলায় উঠে বাবার মাথায় কোপ মারে অর্জুন। সেই সময় মা কোমল শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। বাবাকে শেষ করার পর মা বাথরুম থেকে বেরতেই তাঁর উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। দিদির মতো মায়ের দেহেও বেশ কয়েকবার কোপ মারে অর্জুন। তবে তিন স্বজনকে খুনের পর প্রতিবেশীদের ডেকে সে যেভাবে মনগড়া গল্প ফেঁদেছিল, তাতেই সকলে হতবাক। পড়শিরা জানিয়েছেন, তাঁদের ডেকে নিয়ে আসার পর থেকে একবারের জন্যও অর্জুনের আচরণে কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়েনি। মুখচোরা অর্জুন শান্তভাবেই মিথ্যা গল্প সাজিয়ে তাঁদের কাছে পরিবেশন করেছিল।



