নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরে একবার দু’বার কোনও মেলা বা অনুষ্ঠানে নয়, এবার সারাবছর ধরেই দেশের রাজধানীতে মিলবে বাংলায় উৎপাদিত আম, জাম, কাঁঠাল থেকে শুরু করে ড্রাগন ফল। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে দিল্লির দিল্লি হাটে রাজ্যের কৃষকদের জন্য খোলা হচ্ছে বিশেষ বিক্রয় কেন্দ্র। সেখানেই নিজেদের উৎপাদিত ফসল বেচতে পারবে রাজ্যের কৃষক থেকে শুরু করে কৃষক সংগঠনগুলি। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে চিঠি লেখা হয়েছে।
Advertisement
বিভাগীয় মন্ত্রী অরূপ রায় জানান, কৃষকদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৩ বছর যাবৎ বিভিন্ন পদক্ষেপ করেছেন। তাতে উপকৃত হয়েছেন উদ্যানপালনের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য কৃষক। এবার তাঁদের কথা মাথায় রেখেই একেবারে নয়াদিল্লিতে বিক্রয় কেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে এই প্রথম কোনও বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই উদ্যোগ নেওয়া হল? মমতার জমানায় উদ্যানপালনের ক্ষেত্রে রাজ্যের নজিরবিহীন অগ্রগতি হয়েছে। আম, জাম, কাঁঠালের পাশাপাশি অ্যাভোকাডো ও ড্রাগন ফলের উৎপাদন অনেকগুণ বেড়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং দুই ২৪ পরগনায় ২০২৩-২৪ শস্যবর্ষে ৩৩০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফল চাষ হয়েছে। গত দুই শস্যবর্ষে কৃষকদের উৎসাহ দিতে রাজ্যের তরফে বিতরণ করা হয়েছে ৮ লক্ষ ড্রাগন ফলের চারা। ফলে দিল্লির এই পাইকারি বাজারে নিজেদের উৎপাদিত ফসল বেচতে পারলে কৃষকদের আয় অনেকটাই বাড়বে। আশা রাজ্য প্রশাসনের।
আবার, উত্তরবঙ্গে মিষ্টি হাব তৈরির প্রস্তাবও এসেছে দপ্তরে। সেটি খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্তারা। উত্তরবঙ্গের জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে। এই ব্যাপারে মন্ত্রী উত্তরবঙ্গে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন।
সূত্রের খবর, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে এই প্রথম কোনও বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই উদ্যোগ নেওয়া হল? মমতার জমানায় উদ্যানপালনের ক্ষেত্রে রাজ্যের নজিরবিহীন অগ্রগতি হয়েছে। আম, জাম, কাঁঠালের পাশাপাশি অ্যাভোকাডো ও ড্রাগন ফলের উৎপাদন অনেকগুণ বেড়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং দুই ২৪ পরগনায় ২০২৩-২৪ শস্যবর্ষে ৩৩০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফল চাষ হয়েছে। গত দুই শস্যবর্ষে কৃষকদের উৎসাহ দিতে রাজ্যের তরফে বিতরণ করা হয়েছে ৮ লক্ষ ড্রাগন ফলের চারা। ফলে দিল্লির এই পাইকারি বাজারে নিজেদের উৎপাদিত ফসল বেচতে পারলে কৃষকদের আয় অনেকটাই বাড়বে। আশা রাজ্য প্রশাসনের।
আবার, উত্তরবঙ্গে মিষ্টি হাব তৈরির প্রস্তাবও এসেছে দপ্তরে। সেটি খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্তারা। উত্তরবঙ্গের জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে। এই ব্যাপারে মন্ত্রী উত্তরবঙ্গে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন।



