নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কাঁচা বাজারের দামে আগুন। হাত পুড়ছে মধ্যবিত্তের। দক্ষিণ দিল্লির কালকাজি বাজারে গিয়ে নিজে হিসেব নিলেন রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতা জানলেন বাজারদর। খোঁজ নিলেন এই বাজারদরে কী করে সংসার সামলান দিন আনি দিন খাওয়া দিল্লিবাসী। সঙ্গে তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের ক্যামেরা টিম। রাহুলের মন্তব্য, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে হু হু করে। আর মোদি সরকার কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোচ্ছে!
Advertisement
কত দাম রসুনের? সব্জি বিক্রেতা সোনুর কাছে জানতে চাইলেন রাহুল। প্রথমটা কিছুটা ইতস্তত করলেও শেষমেশ বলেই ফেলেন, চারশো টাকা। এত দাম? পাশ থেকে বলে বসেন রাহুলের সঙ্গে থাকা এলাকার কয়েকজন মহিলা। আদতে সংসার সামাল দেওয়ার গুরুদায়িত্ব যাদের কাঁধে। সস্তা কেন হচ্ছে না ভাই? কড়াইশুটির দাম তো শীতকালে ৩০-৪০ টাকা হওয়া উচিত। বড়জোর ৬০ টাকা। দোকানদার মৃদু হেসে জানিয়ে দেন, মাণ্ডিতেই দাম অনেক বেশি। তাই তাঁকেও বেচতে হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। সস্তা হওয়া মুশকিল বলেও জানিয়ে দেন অন্য এক দোকানি। যা শুনে সাধারণ এক ক্রেতা রাহুলকে দেখিয়ে বলেই ফেললেন, আপনারা ক্ষমতায় না এলে কোনও জিনিস সস্তা হবে না।
কেন্দ্রর দেওয়া তথ্যই বলছে, ঠিক এক বছর আগে খুচরো বাজারে আলুর গড় দাম ছিল ২৩ টাকা কিলো। এখন হয়েছে ৩৬ টাকা। পেঁয়াজ ৪৪ টাকা থেকে হয়েছে ৪৭। টম্যাটো ৩২ টাকা প্রতি কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ টাকা। পেঁয়াজ, টম্যাটো আলুর দামই বেড়েছে ৬-৫৬ শতাংশ। যদিও খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের মতে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। চাল, আটা, গমের দাম গত এক বছরে প্রায় একই আছে বলেই জানানো হয়েছে। সব্জির ক্ষেত্রে আবহাওয়ার হেরফেরই কারণ বলেই যুক্তি সরকারের। কেন্দ্র জোর দিয়েছে কোথাও কালোবাজারি হচ্ছে কি না, তা দেখতে। আর এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রর দেওয়া তথ্যই বলছে, ঠিক এক বছর আগে খুচরো বাজারে আলুর গড় দাম ছিল ২৩ টাকা কিলো। এখন হয়েছে ৩৬ টাকা। পেঁয়াজ ৪৪ টাকা থেকে হয়েছে ৪৭। টম্যাটো ৩২ টাকা প্রতি কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ টাকা। পেঁয়াজ, টম্যাটো আলুর দামই বেড়েছে ৬-৫৬ শতাংশ। যদিও খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের মতে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। চাল, আটা, গমের দাম গত এক বছরে প্রায় একই আছে বলেই জানানো হয়েছে। সব্জির ক্ষেত্রে আবহাওয়ার হেরফেরই কারণ বলেই যুক্তি সরকারের। কেন্দ্র জোর দিয়েছে কোথাও কালোবাজারি হচ্ছে কি না, তা দেখতে। আর এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।



