নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১ থেকে এক লাফে ১০০! কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়ালের সঙ্গেই আমরণ অনশন শুরু করলেন আরও ১১১ জন আন্দোলনকারী কৃষক। বুধবার থেকে পাঞ্জাব, হরিয়ানার সীমানা এলাকা খানাউরিতেই আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন তাঁরা। এই খানাউরিতেই বিগত ৫১ দিন ধরে অনশন করছেন দাল্লেওয়াল। তাঁদের দাবি, যে লিখিত প্রতিশ্রুতি বছর তিনেক আগে দিয়েছিল মোদি সরকার, তা অবিলম্বে পূরণ করতে হবে। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যকে (এমএসপি) আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
Advertisement
পাঞ্জাব, হরিয়ানার দু’টি সীমানা এলাকা শম্ভু এবং খানাউরিতে গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অবস্থান আন্দোলন করছেন কৃষকরা। তাঁদের ‘দিল্লি চলো’ অভিযানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তিন দফায় উত্তপ্ত হয়েছে ওই সীমানা এলাকা। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দাবি না মেটা পর্যন্ত লাগাতার অনশন কর্মসূচি। বুধবার নতুন করে ১১১ জন কৃষক অনশন শুরু করায় তাই প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছে বিজেপি সরকার। যদিও সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, অনশনরত আন্দোলনকারীদের একটি অংশ প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চললেও মোদি সরকারের তাতে কোনও হেলদোল নেই। এখনও পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কোনও প্রস্তাব পাঠানো হয়নি। ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব, হরিয়ানা সীমানা এলাকার এই কৃষক আন্দোলনের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার পাঞ্জাব সরকারকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়ে বলেছে যে, অবিলম্বে অনশনরত কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়ালের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে। দিল্লি এইমসের অধিকর্তার নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রতিনিধি দল গঠন করতে বলা হয়েছে। তাঁরা খানাউরি সীমানায় গিয়ে দাল্লেওয়ালের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন এবং সেইমতো রিপোর্ট দেবেন।



