নয়াদিল্লি: দিল্লির বিধানসভা ভোটে দুর্নীতি অস্ত্রে আপ-বধের পণ করেছে বিজেপি। অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তাঁর দলকে খোঁচা দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যবহৃত জোড়া শব্দবন্ধ— ‘শিশমহল’ ও ‘আপদ’ ঘুরছে গেরুয়া নেতাদের মুখে মুখে। প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াতে শনিবার গান ও পোস্টার প্রকাশ করেছে বিজেপি। গানের মোদ্দা বয়ান, ‘আপদ ছড়ানো লোকেদের আড্ডা হল শিশমহল।’ আর কেজরিওয়ালকে নিশানা বানিয়ে প্রকাশিত পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আপদ-ই-আজম’। পদ্মপার্টির তুমুল আক্রমণের মধ্যেই ফাঁস হওয়া ক্যাগ রিপোর্ট ঘিরে ভোটের মুখে চাপ আরও বেড়েছে আপের। ক্যাগের সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আপ সরকারের বিতর্কিত আবগারি নীতির (অধুনা বাতিল) ফলে কোষাগারের ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা। ঘুষের টাকা ঢুকেছে আপ নেতাদের পকেটে। ফাঁস হওয়া এই রিপোর্ট রীতিমতো ভাইরাল হয়ে পড়েছে। আর সেই রিপোর্ট ঘিরে বিজেপি কেজরিওয়ালের দলকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। তবে ফাঁস হওয়া রিপোর্টটি বিধানসভায় এখনও পেশ না হওয়ায় তার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপিকে পাল্টা নিশানা বানিয়েছে আপ।
Advertisement
ফাঁস হওয়া ক্যাগ রিপোর্টে (সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’) আপ সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর গাফিলতি, নীতি বিচ্যুতি ও লাইসেন্স ইস্যু করার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, ওই আবগারি নীতি তার উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হলেও আপ নেতারা ঘুষের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশগুলি গ্রহণ করেনি তৎকালীন উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিশোদিয়ার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিগোষ্ঠী। নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিপূরণ চাপানো হয়নি। শুধু তাই নয়, মন্ত্রিসভার সম্মতি ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অনুমোদন ছাড়াই ওই আবগারি নীতি চালু করা হয়েছিল। ত্রুটি সংশোধনের জন্য নয়া নীতি বিধানসভায় পেশা করা আবশ্যক। কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়নি।
ভোটের আগে ফাঁস হওয়া এই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আপকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। এদিন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, স্কুল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপ মদের দোকান তৈরি করেছে। ওরা ঝাড়ু ও স্বচ্ছ প্রশাসনের কথা বলত। কিন্তু ‘স্বরাজ’ থেকে ‘শরাব’-এ অবনমন হয়েছে। পাল্টা আসরে নেমেছেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং। তিনি বলেন, ‘ক্যাগের এই রিপোর্ট কোথায় রয়েছে? এরকম কোনও রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ হয়নি। তাহলে কি তা বিজেপির পার্টি অফিসে পেশ হয়েছে? কীসের ভিত্তিতে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে? বিজেপি নেতারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন।
ভোটের আগে ফাঁস হওয়া এই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আপকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। এদিন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, স্কুল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপ মদের দোকান তৈরি করেছে। ওরা ঝাড়ু ও স্বচ্ছ প্রশাসনের কথা বলত। কিন্তু ‘স্বরাজ’ থেকে ‘শরাব’-এ অবনমন হয়েছে। পাল্টা আসরে নেমেছেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং। তিনি বলেন, ‘ক্যাগের এই রিপোর্ট কোথায় রয়েছে? এরকম কোনও রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ হয়নি। তাহলে কি তা বিজেপির পার্টি অফিসে পেশ হয়েছে? কীসের ভিত্তিতে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে? বিজেপি নেতারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন।



