নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১১ বছর ক্ষমতার বাইরে। গত দুটি বিধানসভা ভোটে (২০১৫ এবং ২০২০ সাল) দলের বিধায়ক সংখ্যা শূন্য। অথচ শীলা দীক্ষিতের মুখ্যমন্ত্রিত্বে এই কংগ্রেসই একটানা সরকার চালিয়েছিল ১৫ বছর। ১৯৯৮ থেকে ২০১৩। শূন্যর গেরো কাটাতে দলের ভরসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।’ টার্গেট মহিলা ভোটার। তারই লক্ষ্যে সোমবার কংগ্রেস ঘোষণা করল ‘পেয়ারি দিদি।’ অর্থাৎ আদরের দিদি। প্রতিশ্রুতি, দিল্লিতে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রতি মাসে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে আড়াই হাজার টাকা। আগামী ১০ জানুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে।
Advertisement
দিল্লিতে এখন ক্ষমতায় আম আদমি পার্টি। তার সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিয়াল এবার ভোটের প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফের ক্ষমতায় এলে মহিলারা পাবেন মাসে ২১০০ টাকা। কংগ্রেস তার চেয়েও কিছুটা এগিয়ে আড়াই হাজার টাকার কথা বলেছে। এটা যে নিছক প্রতিশ্রুতি নয়, সেটা বোঝাতে সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে হাজির করা হয়েছিল কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারকে।
পেয়ারি দিদি প্রকল্পের প্রতিশ্রুতির ঘোষণা করে তিনি বলেছেন, কর্ণাটক হোক হিমাচল প্রদেশ, অথবা কেন্দ্রে যখন ইউপিএ সরকার ছিল, যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, ক্ষমতায় এসে তা পালন করেছে। তাই কংগ্রেস মানেই বিশ্বযোগ্যতা। নরেন্দ্র মোদির মতো বছরে দু কোটি চাকরি, প্রত্যেকের ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার মতো জুমলা নয়। তিনি বলেন, কর্ণাটক মডেল সামনে রেখেই দিল্লির মানুষকেও কংগ্রেসকে সমর্থন দেওয়ার আবেদন করছি। কী মিলছে কর্ণাটকে? মহিলাদের সরকারি বাসে যাত্রা ফ্রি। মাসে মিলছে দু হাজার টাকা। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি বিদ্যুৎ। প্রত্যেক পরিবারকে মাসে ১০ কেজি করে চাল। মানুষের মনে তাই কর্ণাটক মডেল সামনে রেখেই দিল্লি বিধানসভায় নামছে কংগ্রেস।
পেয়ারি দিদি প্রকল্পের প্রতিশ্রুতির ঘোষণা করে তিনি বলেছেন, কর্ণাটক হোক হিমাচল প্রদেশ, অথবা কেন্দ্রে যখন ইউপিএ সরকার ছিল, যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, ক্ষমতায় এসে তা পালন করেছে। তাই কংগ্রেস মানেই বিশ্বযোগ্যতা। নরেন্দ্র মোদির মতো বছরে দু কোটি চাকরি, প্রত্যেকের ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার মতো জুমলা নয়। তিনি বলেন, কর্ণাটক মডেল সামনে রেখেই দিল্লির মানুষকেও কংগ্রেসকে সমর্থন দেওয়ার আবেদন করছি। কী মিলছে কর্ণাটকে? মহিলাদের সরকারি বাসে যাত্রা ফ্রি। মাসে মিলছে দু হাজার টাকা। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি বিদ্যুৎ। প্রত্যেক পরিবারকে মাসে ১০ কেজি করে চাল। মানুষের মনে তাই কর্ণাটক মডেল সামনে রেখেই দিল্লি বিধানসভায় নামছে কংগ্রেস।



