সিওল, ১৫ জানুয়ারি: অবশেষে গ্রেপ্তার দক্ষিণ কোরিয়ার পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইওন সুক ইওল। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা নাগাদ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। রাজধানী সিওলে বিক্ষিপ্ত অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ ও অবস্থানে সামিল হয়েছেন ইওন সুক-এর সমর্থকেরা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকেই আরও একবার ইওন সুক ইওলকে গ্রেপ্তার করতে তৎপর হয়েছিল পুলিস। কিন্তু আগেরবারের মতো এদিনও তাঁর বাসভবনে ঢোকার সময় প্রেসিডেন্সিয়াল সিরিয়োরিটি সার্ভিস (পিএসএস)-এর হাতে বাধাপ্রাপ্ত হয় পুলিস। বেশ কয়েক ঘণ্টা তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির পর অবশেষে মই বেয়ে বাসভবনে ঢোকেন পুলিস আধিকারিকরা। এরপরই গ্রেপ্তার করা হয় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে।
গ্রেপ্তারির পর ইওন সুক ইওল জানান, তিনি তদন্তকারীদের সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত ছিলেন। এরপরেও তাঁকে গ্রেপ্তার করায় প্রমাণিত হল যে, দেশের আইনের শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইওন সুক ইওল। তাঁর এই সিদ্ধান্তে দেশে গেল গেল রব ওঠে। তীব্র ক্ষোভে সামিল হয় জনগণ। রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে সিওল। এরপরেই ভোটাভুটিতে বরখাস্ত হন ইওন সুক ইওল। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। কিন্তু, এর আগে তাঁর বাসভবনে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল পুলিস। তবে, অবশেষে বুধবার সকালে ইওনকে গ্রেপ্তার করা হল।
গ্রেপ্তারির পর ইওন সুক ইওল জানান, তিনি তদন্তকারীদের সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত ছিলেন। এরপরেও তাঁকে গ্রেপ্তার করায় প্রমাণিত হল যে, দেশের আইনের শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইওন সুক ইওল। তাঁর এই সিদ্ধান্তে দেশে গেল গেল রব ওঠে। তীব্র ক্ষোভে সামিল হয় জনগণ। রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে সিওল। এরপরেই ভোটাভুটিতে বরখাস্ত হন ইওন সুক ইওল। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। কিন্তু, এর আগে তাঁর বাসভবনে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল পুলিস। তবে, অবশেষে বুধবার সকালে ইওনকে গ্রেপ্তার করা হল।



