নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ডিজিটাল অ্যারেস্টের সংখ্যা কমলেও বাঁকুড়ায় ভুয়ো অ্যাপের মাধ্যমে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে। বিষয়টি জেলার পুলিস কর্তাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত কয়েকমাসে জেলায় ডিজিটাল অ্যারেস্টের ঘটনা দুই তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমেছে বলে বাঁকুড়া সাইবার ক্রাইম থানার আধিকারিকরা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, মোটা ‘রিটার্নের’ লোভ দেখিয়ে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের নাম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা প্রায় দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। ওইসব প্রতারণার ফাঁদ রাজ্যের বাইরে থেকে পাতা হচ্ছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। সেই কারণে ব্যবস্থা নিতে দেরি হচ্ছে বলেও তাঁরা স্বীকার করেছেন।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, মোটা রিটার্নের আশায় ভুল জায়গায় টাকা বিনিয়োগ করে অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। বিনিয়োগের আগে সবকিছু খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আমরা সাধারণ মানুষকে সচেতন করছি। তবে গত কয়েকদিনে জেলায় ডিজিটাল অ্যারেস্টের ঘটনা কার্যত হয়নি বললেই চলে। আমরা সম্প্রতি ওই সংক্রান্ত মাত্র দু’টি অভিযোগ পেয়েছি।
সাইবার ক্রাইম থানার এক আধিকারিক বলেন, গত ছ’মাসে জেলাজুড়ে প্রায় তিন শতাধিক অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের কাছে প্রতিদিনই ওই সংক্রান্ত কোনও না কোনও অভিযোগ জমা পড়ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানাতেও সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়ছে। সবমিলিয়ে গত কয়েকমাসে জেলার বাসিন্দারা ১০কোটি টাকারও বেশি খুইয়েছেন। কিছুদিন আগে একটি অ্যাপের মাধ্যমে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের নাম করে জেলার দুই প্রমোটারের কাছ থেকে প্রতারকরা প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। হীড়বাঁধের বাসিন্দা এক শিক্ষকও ১০ লক্ষ টাকা খুইয়েছেন।
সাইবার ক্রাইম থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ভিডিও কলের মাধ্যমে অ্যানড্রয়েড মোবাইল সেট ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে ফেলা হয়। ভিডিও কলের মাধ্যমে হেভিওয়েট হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে প্রতারক টাকা হাতিয়ে নেয়। তারজন্য প্রতারকরা বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন গল্প ফাঁদে। ফলে অজ্ঞাত বা সন্দেহজনক নম্বর থেকে আসা ওই ধরনের কোনও ভিডিও বা ফোন কল রিসিভ না করাই উচিত বলে পুলিসের তরফে বারবার প্রচার করা হচ্ছে।
সাইবার ক্রাইম থানার এক আধিকারিক বলেন, গত ছ’মাসে জেলাজুড়ে প্রায় তিন শতাধিক অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের কাছে প্রতিদিনই ওই সংক্রান্ত কোনও না কোনও অভিযোগ জমা পড়ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানাতেও সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়ছে। সবমিলিয়ে গত কয়েকমাসে জেলার বাসিন্দারা ১০কোটি টাকারও বেশি খুইয়েছেন। কিছুদিন আগে একটি অ্যাপের মাধ্যমে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের নাম করে জেলার দুই প্রমোটারের কাছ থেকে প্রতারকরা প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। হীড়বাঁধের বাসিন্দা এক শিক্ষকও ১০ লক্ষ টাকা খুইয়েছেন।
সাইবার ক্রাইম থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ভিডিও কলের মাধ্যমে অ্যানড্রয়েড মোবাইল সেট ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে ফেলা হয়। ভিডিও কলের মাধ্যমে হেভিওয়েট হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে প্রতারক টাকা হাতিয়ে নেয়। তারজন্য প্রতারকরা বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন গল্প ফাঁদে। ফলে অজ্ঞাত বা সন্দেহজনক নম্বর থেকে আসা ওই ধরনের কোনও ভিডিও বা ফোন কল রিসিভ না করাই উচিত বলে পুলিসের তরফে বারবার প্রচার করা হচ্ছে।



