Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুর পুরসভাকে ৭ দিন সময় দিলীপের, ‘কাজ দেখতে চাই, না হলে অন্য ব্যবস্থা হবে!’

খড়্গপুর পুরসভাকে ৭ দিনের মধ্যে কাজের অগ্রগতি দেখতে চান দিলীপ ঘোষ। দুর্নীতির অভিযোগেই এই হুঁশিয়ারি। বিস্তারিত পড়ুন।

খড়্গপুর পুরসভাকে ৭ দিন সময় দিলীপের, ‘কাজ দেখতে চাই, না হলে অন্য ব্যবস্থা হবে!’
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: অন্নপূর্ণা যোজনা, আবাসের কাজে পিছিয়ে। বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভাকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সেইসঙ্গেই নিজেদের মধ্যে ‘অন্তর্কলহ’ মিটিয়ে সব কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য চেয়ারপার্সন সহ কাউন্সিলারদের সাত দিন সময় দিয়েছেন মন্ত্রী। আর না হলে ‘অন্য ব্যবস্থা’ নেওয়ারও হুঙ্কার দেন বিজেপির এই দাপুটে নেতা। রবিবার খড়্গপুর শহরে একটি কর্মসূচি শেষে দিলীপবাবু বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনা, আবাসের কাজে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে খড়্গপুর শহর। কেন হবে এটা? একটা নির্বাচিত বোর্ড আছে এখানে। আমরা তাঁদের কোনো অসুবিধা করিনি। সহযোগিতা করছি। আমি নিজে পুরসভায় গিয়েছি। তা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান আর কাউন্সিলাররা নিজেদের মধ্যে অন্তর্কলহে ব্যস্ত!

Advertisement

এরপরই দিলীপবাবু নিজস্ব ভঙ্গিতে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে পারফরম্যান্স দেখতে চাই। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে সব প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যান। না হলে অন্য ব্যবস্থা হবে। খড়্গপুর শহরে অডিটোরিয়াম, স্টেডিয়াম, পুকুর সংস্কার সহ যে সব কাজে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার তদন্ত হবে বলেও জানান রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী। উল্লেখ্য, তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলারের সংখ্যা ২৪। বিজেপির মাত্র ৬ জন কাউন্সিলার আছেন। বাকিরা বাম-কংগ্রেসের। শনিবার ঋতব্রত-তৃণমূলের জেলা সভাপতি মনোনীত হন খড়্গপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রদীপ সরকার। আর রবিবারই বর্তমান চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ সহ তৃণমূল কাউন্সিলারদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন দিলীপবাবু। 
রাজনৈতিক মহলের মতে, পুরসভার কাজে গাফিলতির জন্য দিলীপবাবু তৃণমূলের সেই কোন্দলকেই দায়ী করেছেন। এই বিষয়ে প্রদীপ সরকার বলেন, দিলীপদা তো ঠিকই বলেছেন। মানুষকে পরিষেবা দেওয়াই পুরসভার কাজ। চেয়ারপার্সন নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। আর অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে আমাদের কাউন্সিলারদের কোনো ভূমিকাই নেই। চেয়ারম্যানকেই পুরসভার কর্মী ও আধিকারিকদের নিয়ে সেকাজ করতে হবে। আমাদের সহযোগিতা চাইলে নিশ্চয়ই করব। 
পাল্টা কল্যাণীদেবী বলেন, মন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে। দিন-রাত জেগে অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ করছি আমরা। হাউস ফর অল প্রকল্পের কাজেও রাজ্যের প্রথম দশটি পুরসভার মধ্যে খড়্গপুর এগিয়ে রয়েছে। মহকুমা শাসক সবই জানেন। উনি মন্ত্রীকে সঠিক তথ্য দিয়ে সবটাই জানাবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ