সংবাদদাতা, কাটোয়া: অবশেষে দাঁইহাট শহরে শুরু হল বাসস্ট্যান্ড তৈরির কাজ। শহরে ছিল না কোনও বাসস্ট্যান্ড। রাস্তার মধ্যেই দাঁড়াতে হয় যাত্রীদের। বাস ধরতে এসে সমস্যায় পড়েন শহরের বাসিন্দারা। প্রায় তিন কিমি দূরে দাঁইহাট মোড়ে গিয়ে বাস ধরতে হতো যাত্রীদের। নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড না থাকায় শহরে বাসের সংখ্যাও কমেছে। তাই বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, শহরে একটি বাসস্ট্যান্ড করা হোক। সেই মতো দাঁইহাট শহরে বাসস্ট্যান্ড গড়ার কাজ শুরু হওয়ায় খুশি বাসিন্দারা।
Advertisement
দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায় বলেন, আমরা বাসস্ট্যান্ড গড়ার জন্য আগেই পূর্তদপ্তরকে জায়গা চিহ্নিত করে দিয়েছিলাম। সেখানেই কাজ শুরু হয়েছে। এর আগে টেন্ডার ডাকা হলেও পূর্তদপ্তর কাজ শুরু করছিল না। পরে প্রস্তাবিত জায়গা লাগোয়া একটি পুকুর পাড়ে তৈরি করা হচ্ছে বাসস্ট্যান্ড। যার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা।
একসময় দাঁইহাট শহর খুব প্রসিদ্ধ ছিল। কাঁসা, পিতলের বিশাল ব্যবসা হতো শহরে। ১৭৪২ সালে মারাঠা বাহিনীদের নিয়ে বর্গিরা হামলা করে দাঁইহাটে। লুট চালিয়ে গোলা বর্ষণ করে শহরের সবকিছু ধংস করে দেয় তারা। তারপর থেকে শহর তার জৌলুস হারায়। এরপর শহরের মধ্যে দিয়ে চলে যাওয়া পুরনো এসটিকেকে রোড শহর থেকে তিন কিমি দূরে সরানো হয়। ভাগীরথীও একটু একটু করে শহর থেকে ক্রমশ দূরে চলে যাওয়ায় দাঁইহাট পুরনো শহুরে মেজাজ হারিয়ে ফেলে। দাঁইহাট থেকে আগে বেশ কয়েকটি বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল করত। এখন বাসের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। এখন সব নিয়ে মাত্র তিনটি বাস যাতায়াত করে।
একসময় দাঁইহাট শহর খুব প্রসিদ্ধ ছিল। কাঁসা, পিতলের বিশাল ব্যবসা হতো শহরে। ১৭৪২ সালে মারাঠা বাহিনীদের নিয়ে বর্গিরা হামলা করে দাঁইহাটে। লুট চালিয়ে গোলা বর্ষণ করে শহরের সবকিছু ধংস করে দেয় তারা। তারপর থেকে শহর তার জৌলুস হারায়। এরপর শহরের মধ্যে দিয়ে চলে যাওয়া পুরনো এসটিকেকে রোড শহর থেকে তিন কিমি দূরে সরানো হয়। ভাগীরথীও একটু একটু করে শহর থেকে ক্রমশ দূরে চলে যাওয়ায় দাঁইহাট পুরনো শহুরে মেজাজ হারিয়ে ফেলে। দাঁইহাট থেকে আগে বেশ কয়েকটি বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল করত। এখন বাসের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। এখন সব নিয়ে মাত্র তিনটি বাস যাতায়াত করে।



