নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তদন্তের নামে ডেকে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিসের সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত গুন। রাজগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন তিনি। কয়েকদিন আগে তাঁর বিরুদ্ধে প্রথমে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে ওই অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি পুলিসের কাছে। তারই ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে জলপাইগুড়ি মহিলা থানা। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই ওই এসআইকে পুলিস লাইনে ক্লোজ করা হয়। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয় মঙ্গলবার। এদিন আদালতে ধৃত ওই পুলিস অফিসারের জামিনের আর্জি জানান তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা। জামিনের বিরোধিতা করেন সরকার পক্ষের আইনজীবী। পুলিসের তরফে অবশ্য ধৃতকে তাদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়নি আদালতে। বিচারক ধৃত ওই সাব ইন্সপেক্টরকে ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে ধৃত এসআই শুধু বলেন, আমি নির্দোষ।
জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেছেন, ওই সাব ইন্সপেক্টরকে গ্রেপ্তার করে এদিন আদালতে পাঠানো হয়। তদন্ত চলছে।
অভিযোগপত্রে যুবতী জানিয়েছেন, রাজগঞ্জ থানার ওই সাব ইন্সপেক্টর কয়েকদিন আগে তাঁকে ফোন করে বলেন, তাঁর নামে অভিযোগ জমা পড়েছে। সেকারণে থানায় ডাকা হয় তাঁকে। সেইমতো তিনি গেলে রাজগঞ্জ থানার উল্টোদিকে ওই এসআই’র বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়।
যদিও ধৃত সাব ইন্সপেক্টরের আইনজীবী সুদীপ ভট্টাচার্য এদিন বলেন, আমার মক্কেল ষড়যন্ত্রের শিকার। সঠিক তদন্ত হলেই তা আদালতের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে। মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী সৌম্য চক্রবর্তী বলেন, আদালতের কাছে ধৃতের জামিনের আবেদন জানান তার আইনজীবী। এর বিরোধিতা করা হয়। বিচারক ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে দ্রুত কেস ডায়েরি ও অভিযোগকারীর ডাক্তারি রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে পুলিসকে। এদিকে, এখনও আদালতে অভিযোগকারীর গোপন জবানবন্দি হয়নি বলে পুলিস সূত্রে খবর।
জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেছেন, ওই সাব ইন্সপেক্টরকে গ্রেপ্তার করে এদিন আদালতে পাঠানো হয়। তদন্ত চলছে।
অভিযোগপত্রে যুবতী জানিয়েছেন, রাজগঞ্জ থানার ওই সাব ইন্সপেক্টর কয়েকদিন আগে তাঁকে ফোন করে বলেন, তাঁর নামে অভিযোগ জমা পড়েছে। সেকারণে থানায় ডাকা হয় তাঁকে। সেইমতো তিনি গেলে রাজগঞ্জ থানার উল্টোদিকে ওই এসআই’র বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়।
যদিও ধৃত সাব ইন্সপেক্টরের আইনজীবী সুদীপ ভট্টাচার্য এদিন বলেন, আমার মক্কেল ষড়যন্ত্রের শিকার। সঠিক তদন্ত হলেই তা আদালতের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে। মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী সৌম্য চক্রবর্তী বলেন, আদালতের কাছে ধৃতের জামিনের আবেদন জানান তার আইনজীবী। এর বিরোধিতা করা হয়। বিচারক ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে দ্রুত কেস ডায়েরি ও অভিযোগকারীর ডাক্তারি রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে পুলিসকে। এদিকে, এখনও আদালতে অভিযোগকারীর গোপন জবানবন্দি হয়নি বলে পুলিস সূত্রে খবর।



