নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৃষক স্বার্থে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) কৃষকের কাছ থেকে ধানক্রয় প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে চালিয়ে যেতে একযোগে জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরের মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ জারি করল রাজ্য সরকার। জেলা স্তরে জেলাশাসককে (চেয়ারপার্সন) মাথায় রেখে ১৮ জনের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা স্তরের যে ১০ জন কমিটি তৈরি হবে তার মাথায় থাকবেন মহকুমা শাসক। আর ব্লক স্তরের কমিটি হবে সাত সদস্যের। তার মাথায় থাকবেন স্থানীয় বিডিও।
Advertisement
জেলাশাসকদের পাঠানো নির্দেশিকায় পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, ধান কেনার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাইসমিলগুলির কার্যকারিতার উপর নজরদারি জোরদার করতেই তিনটি স্তরের কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিকে যেমন কৃষক স্বার্থের কথা মাথায় রেখে কোথায় ধানক্রয় কেন্দ্র করলে ভালো হয়, তা চিহ্নিত করার দায়িত্ব জেলাশাসকদের দেওয়া হয়েছে। ঠিক একইভাবে কোনও ক্রয় কেন্দ্রে অপ্রত্যাশিতভাবে কোনও ব্যক্তি নিজ স্বার্থে কাজ ব্যাহত করার চেষ্টা করলে, তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এভাবেই জেলা স্তরের কমিটির জন্য ১৯ দফা, মহকুমা স্তরের জন্য ২০ দফা এবং ব্লক স্তরের জন্য ১৩ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।
ধান কেনা সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরির পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জেলাশাসককে। এই নির্দেশিকাতেই প্রত্যেক কমিটির কী কাজ হবে, তাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। ব্লক স্তরে নজরদারি চালাতে যে কমিটি গঠিত হবে, তাদের উপরেই একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে নজরদারি চালানোর দায়িত্ব থাকবে বলেও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে নবান্নের নির্দেশিকায়। এমএসপি’তে ধান কেনা নিয়ে তৃণমূল স্তরে জোর প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে।
ধান কেনা সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরির পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জেলাশাসককে। এই নির্দেশিকাতেই প্রত্যেক কমিটির কী কাজ হবে, তাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। ব্লক স্তরে নজরদারি চালাতে যে কমিটি গঠিত হবে, তাদের উপরেই একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে নজরদারি চালানোর দায়িত্ব থাকবে বলেও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে নবান্নের নির্দেশিকায়। এমএসপি’তে ধান কেনা নিয়ে তৃণমূল স্তরে জোর প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে।



