নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, বজবজ: একদিকে রাস্তায় প্রচণ্ড ধুলোর জন্য বিরক্ত মানুষ। অন্যদিকে, বেহাল ইটের রাস্তা নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকে আশুতি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং সাগরের রামকরচর গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তা নিয়ে এমন দুই ভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে।
Advertisement
সাগরের কৃষ্ণনগর উত্তর-পশ্চিম ঘোলাপাড়ার বাসিন্দারা এখন রাস্তা নিয়ে প্রবল অসন্তুষ্ট। কারণ গ্রামের রাস্তা খারাপ হওয়ায় কোনও গাড়ি ভিতরে ঢুকতে পারে না। এমনকী অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতেও রাজি হয় না। ফলে রোগীদের পাঁজাকোলা করে মূল রাস্তায় নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে হয়। গ্রামবাসীরা বলেন, ভোটের আগে এই দু’কিলোমিটার ইটের রাস্তা মেরামতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু ভোট চলে যাওয়ার পর আজও সেই কাজ হয়নি। ফলে তীব্র সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থেকে সাধারণ মানুষকে। তাই এই রাস্তা মেরামতির দাবিতে এবার সরব হয়েছেন তাঁরা। এনিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ সদস্য সন্দীপকুমার পাত্র বলেন, ভারী ইঞ্জিনভ্যান চলাচলের কারণে রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছে। সেটি কংক্রিট করার প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।
অন্যদিকে, ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের আশুতি মেন রোড দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ও অগুনতি গাড়ি চলাচল করে। সেই রাস্তা পুজোর আগে ঝামা ও ইট ফেলে কোনওরকমে চলাচলের যোগ্য করা হয়েছিল। কিন্ত তারপর অনেক দিন কেটে গিয়েছে। এখনও তার উপর পিচের আস্তরণ পড়েনি। এদিকে ঝামা ও ইট গুঁড়ো হয়ে এখন ধুলোয় পরিণত হয়েছে। সেই ধুলো পথ চলতি মানুষের চোখে-মুখে ঢুকছে। ভুক্তভোগীরা ব্যাঙ্গ করে বলছেন, এ যেন লাল মাটির দেশ! রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলি ধুলোয় ঢেকেছে, চেনাই যায় না। দীর্ঘদিন এই অবস্থা হয়ে রয়েছে। রাস্তায় পিচের কাজ কবে, কেউই জানেন না। তিতিবিরক্ত মানুষ। এনিয়ে ঠাকুরপুকুর মহেশতলার বিডিও সুবর্ণা মজুমদার বলেন, এই কাজটি পঞ্চায়েত দপ্তরের একটি শাখা করছে। তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে, ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের আশুতি মেন রোড দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ও অগুনতি গাড়ি চলাচল করে। সেই রাস্তা পুজোর আগে ঝামা ও ইট ফেলে কোনওরকমে চলাচলের যোগ্য করা হয়েছিল। কিন্ত তারপর অনেক দিন কেটে গিয়েছে। এখনও তার উপর পিচের আস্তরণ পড়েনি। এদিকে ঝামা ও ইট গুঁড়ো হয়ে এখন ধুলোয় পরিণত হয়েছে। সেই ধুলো পথ চলতি মানুষের চোখে-মুখে ঢুকছে। ভুক্তভোগীরা ব্যাঙ্গ করে বলছেন, এ যেন লাল মাটির দেশ! রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলি ধুলোয় ঢেকেছে, চেনাই যায় না। দীর্ঘদিন এই অবস্থা হয়ে রয়েছে। রাস্তায় পিচের কাজ কবে, কেউই জানেন না। তিতিবিরক্ত মানুষ। এনিয়ে ঠাকুরপুকুর মহেশতলার বিডিও সুবর্ণা মজুমদার বলেন, এই কাজটি পঞ্চায়েত দপ্তরের একটি শাখা করছে। তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।



