


সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে ময়নাগুড়ি শহরের ময়নামাতা কালী বাড়িতে। ১০০ বছরের পুরানো এই কালীবাড়িতে মানুষ একবার হলেও আসেন গণেশ দেবতার আশীর্বাদ নিতে। এই পুজোয় প্রচুর পরিমাণে ভোগ নিবেদন করা হয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থাকে ভিড়। দু’জন পুরোহিত পুজো করেন এখানে।
নববর্ষের একসপ্তাহ পরেই এবার ভোট। সে কারণে ময়নাগুড়িবাসীর মঙ্গল কামনায় ময়না মাতা কালীবাড়িতে পুজো দেবে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পুজো দেওয়া হবে বলে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে। পুজোর পর বিতরণ করা হবে লাড্ডু।
ময়নাগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায়ের নির্বাচনি এজেন্ট ঝুলন সান্যাল বলেন, ময়নাগুড়িবাসীর যাতে সারাবছর ভালো কাটে, তাই মন্দিরে পুজো দেওয়া হবে। সেখানে প্রার্থী থাকবেন। পুজোর পর লাড্ডু বিতরণ করা হবে। গণেশ পুজো হওয়ার পর প্রায় একমাস প্রতি মঙ্গলবার করে এই মন্দিরে মঙ্গলচণ্ডী পুজো হয়। সেই পুজোতেও ব্যাপক ভিড় হয়।
মন্দিরের পুরোহিত তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, প্রতিবছর নতুন বছরে প্রায় ৭০০ জনের মতো ভক্ত আসেন। তাঁরা ভোগ নিবেদন করেন। মন্দির প্রাঙ্গনে প্রসাদ দেওয়া হয়। অক্ষয় তৃতীয়াতেও পুজো হয়। ময়নাগুড়ির বাসিন্দা তথা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, ময়নামাতা কালীবাড়িতে ব্যবসায়ীরাও পুজো দেন। এখানে প্রচুর মানুষ বছরের প্রথম দিন মঙ্গল কামনায় আসেন এবং পুজো দেন। দীর্ঘ বছর ধরে এই রীতি চলে আসছে। মহিলারা ডালি নিয়ে মন্দিরে আসেন পুজো দিতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভক্তের ঢল নামে। • নিজস্ব চিত্র।