Bartaman Logo
৯ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ডেস্টিনেশন’ কল্যাণী, পুজোর ভিড় সামলাতে প্রস্তুত প্রশাসন

নিরিবিলি শহর কল্যাণী এখন দুর্গাপুজোর নতুন ‘ডেস্টিনেশন’। পুজোর ক’টা দিন শহরের বড় বড় পুজো দেখতে শুধু নদীয়া নয়, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা।

‘ডেস্টিনেশন’ কল্যাণী, পুজোর ভিড় সামলাতে প্রস্তুত প্রশাসন
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কল্যাণী: নিরিবিলি শহর কল্যাণী এখন দুর্গাপুজোর নতুন ‘ডেস্টিনেশন’। পুজোর ক’টা দিন শহরের বড় বড় পুজো দেখতে শুধু নদীয়া নয়, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। গত কয়েক বছর ধরেই পুজোর সময়ে রেকর্ড ভিড় হচ্ছে কল্যাণীতে। এবার সেই ভিড় আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন কয়েকটি বিগ বাজেটের পুজো উদ্যোক্তা।

Advertisement

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর পুজোর দিনগুলিতে ট্রেনে করে রোজ গড়ে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ কল্যাণীতে ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন। এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু রেলপথ নয়, সড়কপথেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী পুজোর সময় কল্যাণীতে আসেন। মহালয়ার একদিন পরেই অর্থাৎ সোমবার কল্যাণীর দু’টি পুজো উদ্বোধন করার সম্ভাবনা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের বার্তা পেয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তৎপর পুলিশ-প্রশাসন।
পুলিশ সূত্রে খবর, কল্যাণীর মূলত তিনটি বড় পুজোকে কেন্দ্র করে ছোটো-বড়ো মিলিয়ে প্রায় ৫০টি ড্রপ গেট এবং বেশ কয়েকটি পুলিশ ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে। পুজোর দিনগুলিতে শহরজুড়ে মোতায়েন থাকবেন প্রায় ২০০ পুলিশকর্মী এবং ২৫০ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন প্রচুর স্বেচ্ছাসেবকও। ভিড় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যানজট সামলাতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। পুজোর সময় কল্যাণী শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রয়োজনে নো-এন্ট্রি করা হতে পারে। টোটো চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও নেওয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। পাশাপাশি কল্যাণী মেইন স্টেশন থেকে সীমান্ত রেল স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে পুজোর দিনগুলিতে কিছু পরিবর্তন আনা যায় কি না, তা নিয়েও রেলের সঙ্গে আলোচনা করছে প্রশাসন।
রাজ্য সরকারের পালাবদল হলেও কল্যাণীর বড় পুজোগুলির বাজেটে তেমন ভাটা পড়েনি। বরং কলকাতার ভিড় এড়িয়ে পুজোর সময় অনেকে কল্যাণীতে যাচ্ছেন বলে দাবি পুজো উদ্যোক্তাদের। সব মিলিয়ে পুজো শুরুর আগেই উৎসবের মেজাজে সেজে উঠেছে শহর। এখন প্রশাসনের সামনে একটাই চ্যালেঞ্জ— বিপুল দর্শনার্থীর ভিড় সামলে নির্বিঘ্নে পুজো সম্পন্ন করা। এই বিষয়ে কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস বলেন, কল্যাণীর পুজো দেখতে রাজ্য ছাড়াও বাইরে থেকে লোক আসে। এটা আমাদের গর্ব। নির্বিঘ্নে উৎসব করতে আমরা তৎপর রয়েছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ