Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহানগরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাগালেই, আরও ৩ মাস সতর্ক থাকার পরামর্শ

চলতি বছর এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গুর প্রভাব সেভাবে দেখা যায়নি। পরিস্থিতি প্রায় গত বছরের মতোই। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, এবারও বছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ ঠেকাতে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া হয়েছে।

মহানগরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাগালেই, আরও ৩ মাস সতর্ক থাকার পরামর্শ
  • ২৪ জুন, ২০২৫ ১৫:০৬

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি বছর এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গুর প্রভাব সেভাবে দেখা যায়নি। পরিস্থিতি প্রায় গত বছরের মতোই। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, এবারও বছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ ঠেকাতে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া হয়েছে। লাগাতার নোটিস ধরানো হয়েছে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের। ফলে কিছুটা হলেও টনক নড়েছে শহুরে জনতার। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের মতো এবারও ধারাবাহিকভাবে শহরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই। শহরবাসী সচেতন না হলে এই ধারাবাহিক সাফল্য মিলত না বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। কারণ, পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোলের তরফে নোটিস পাওয়ার পর অনেকেই আবর্জনা ভর্তি জায়গা বা জমি সাফ করিয়েছেন কিংবা বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় জমা জল নিয়মিত পরিষ্কার করাচ্ছেন।

Advertisement

এখনও পর্যন্ত শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২৩ সালের জুনের মাঝামাঝি যেখানে ১৫৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, সেখানে ২০২৪ সালের জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত আক্রান্ত হন ১০০ জনের কিছু বেশি। চলতি বছর এখনও অবধি সেই সংখ্যা ১১০ জনের কাছাকাছি। অর্থাৎ খুব একটা পার্থক্য নেই। যদিও আত্মতুষ্টিতে নারাজ পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, এখনও বর্ষা তিন মাস (জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর) চলবে। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। একারণে লাগাতার নজরদারি রাখতে হবে। যাবতীয় ভেক্টর কন্ট্রোলের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। 
পুরসভার সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার ফের শহরের দু’টি বরো অঞ্চল নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন অতীন ঘোষ। ওই সমস্ত অঞ্চলের ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন তিনি। এক পুর-স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা তার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৯২ শতাংশ কম ছিল। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরতে রাখতে বদ্ধপরিকর। এবার শতাংশের বিচারে আক্রান্তের সংখ্যাকে আরও কমিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।

সম্পর্কিত সংবাদ