নয়াদিল্লি: মহারাষ্ট্রের ছায়া এবার নয়াদিল্লিতে। আইফোনের কিস্তি মেটাতে না পেরে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন এক নৃত্য-শিক্ষক। যদিও উদ্ধারকারী দলের তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম দীপক কুমার। শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দক্ষিণ দিল্লির কালিন্দি কুঞ্জের ঘাট থেকে যমুনায় ঝাঁপ দেন তিনি। তা নজরে আসতেই উদ্ধারকারী দলকে সতর্ক করে দেন সেখানে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। দীপক জলে হাবুডুব খেতেই বোট গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দীপক জানিয়েছেন, তিনি ওখলাতে থাকেন। পেশায় নৃত্যশিক্ষক। স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। তাঁর সঙ্গেই থাকেন। বিগত কয়েকমাস ধরেই রোজগার বেশ কমেছে। তার জেরে আইফোনের কিস্তির টাকা মেটাতে সমস্যা হচ্ছিল। এরফলে তুমুল চাপে পড়ে গিয়েছিলেন। সেকারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। থানায় তাঁর স্ত্রী ও শ্যালককে ডেকে পাঠায় পুলিশ। তাঁদের সামনেই দীপককে জীবনের মূল্য বোঝানো হয়েছে। তারপর ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রেও ১৮ বছরের কিশোর আইফোনের ইএমআই দিতে না পেরে বাবা-মায়ের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিল। তারই চূড়ান্ত পরিণতি হিসাবে পাহাড় থেকে পড়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান তিনজন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই দৈনন্দিন চাহিদা, জীবনশৈলি ও পারিবারিক সম্পর্কের বাস্তবতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দেশজুড়ে। এরমধ্যে একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সেটি পোস্ট করেছিলেন ওই কিশোরের মা সংগীতা দেবী। বিষয় ছিল সম্পর্ক ও মূল্যবোধ। মর্মান্তিক ঘটনার একদিন আগেই সেটি পোস্ট করেছিলেন তিনি।



