বেঙ্গালুরু: চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের সাত নম্বর গেট। পদপিষ্টের বলি চারজন। ছ’নম্বর গেটে তিনজন, কুইনস রোডে আরও চারজন। বিরাট কোহলিদের আইপিএল ট্রফি জয়ের উন্মাদনায় ১১টি তরতাজা প্রাণ অকালে শেষ। চরম বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থার সাক্ষী বেঙ্গালুরু শহর। কিন্তু এই অব্যবস্থার দায় কার? শুরু হয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। বুধবার ঘটনার পর কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের দাবি ছিল, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) বিজয়োৎসবে ভিড় সামাল দিতে উপস্থিত ছিলেন পাঁচ হাজার পুলিসকর্মী। যদিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘বদলে’ গেল সেই পরিসংখ্যান। বৃহস্পতিবার রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের তরফে কর্ণাটক হাইকোর্টে জানানো হয়েছে, প্রায় আড়াই লাখের জনস্রোত সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছিল মাত্র হাজার খানেক পুলিস। বিতর্ক তুঙ্গে ওঠার পর এদিন তড়িঘড়ি আরসিবি, অনুষ্ঠানের আয়োজক কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং দায়িত্বে থাকা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা ডিএনএ এন্টারটেনমেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে বেঙ্গালুরু পুলিস। কাব্বন পার্ক থানায় দায়ের হওয়া সেই এফআইআরে সাফ লেখা হয়েছে, পদপিষ্টের ঘটনায় শাস্তিযোগ্য গাফিলতি রয়েছে তিন পক্ষেরই। শুধু তাই নয়, এদিন রাতেই তড়িঘড়ি বেঙ্গালুরুর পুলিস কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিস কমিশনার সহ একঝাঁক পুলিস কর্তাকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। তিনি আরও জানান, হাইকোর্টে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মাইকেল ডি’কুনহার নেতৃত্বে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে ওই কমিটি। আরসিবি, রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।



