Bartaman Logo
১১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সময়সীমা শেষ, আজই দখলদার উচ্ছেদ অভিযান ঘাটাল শহরে

ঘাটাল শহরে আজ থেকে সরকারি জমির দখল উচ্ছেদের অভিযান শুরু হচ্ছে। অবৈধ নির্মাণ সরাতে প্রশাসনের চূড়ান্ত সতর্কতা। বিস্তারিত পড়ুন।

সময়সীমা শেষ, আজই দখলদার উচ্ছেদ অভিযান ঘাটাল শহরে
  • ১১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল শহরের রাস্তার দু’ ধার দখল করে তৈরি সমস্ত দোকান ও নির্মাণ সরানো হবে। আজ শনিবার থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে চূড়ান্ত ঘোষণা শুরু করেছে প্রশাসন। সরকারি জমি, ফুটপাত ও রাস্তার ধারে বেআইনি ভাবে গড়ে ওঠা সমস্ত নির্মাণ ও দোকানের মালিকদের শেষবারের মতো সতর্ক করা হচ্ছে। প্রশাসনের স্পষ্ট বার্তা, ঘোষণার পরেও কেউ স্বেচ্ছায় দখল না সরালে আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্রশাসনই ভেঙে দেবে সেইসব নির্মাণ।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগেই সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিজেদেরই অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি একাধিকবার বৈঠক করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় মাইকিং করে শেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হল।

Advertisement

ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি জমি ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা চলছে। নিয়ম মেনেই সংশ্লিষ্টদের নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ সরকারি জমি খালি না করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। জানা গিয়েছে, এই অভিযানে শুধু ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান নয়, সরকারি জমির উপর বেআইনিভাবে তৈরি স্থায়ী নির্মাণও প্রশাসনের নজরে রয়েছে। রাস্তার ধারে অবৈধ পার্কিং, বালি, স্টোনচিপস ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ফেলে সরকারি জমি দখল করে রাখার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই পূর্তদপ্তরের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকদের নোটিস পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, এই অভিযানের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করা এবং সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত হলে যান চলাচল যেমন সহজ হবে, তেমনি পথচারীদেরও সুবিধা হবে। মাইকিং শেষ হওয়ার পর প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিকে পূর্তদপ্তরের জায়গার উপর গজিয়ে ওঠা দোকানের মালিকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাস্তার পাশে ছোট দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাই পুনর্বাসন দিয়ে তবেই তাঁদের উচ্ছেদ করা হোক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ