মুম্বই: আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের অপরাজেয় দৌড় অব্যাহত। বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে খড়কুটোর মত উড়িয়ে দিল প্রীতি জিন্টার দল। শ্রেয়স আয়াররা জিতলেন ৭ উইকেটে। তাও আবার ২১ বল বাকি থাকতে। ৫ ম্যাচের মধ্যে ৪টিতে জিতে পাঞ্জাব উঠে এল টেবিলের শীর্ষে। ঝুলিতে ৯ পয়েন্ট। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে না গেলে আরও এক পয়েন্ট বেশি থাকতে পারত তাদের। অন্যদিকে, টানা ৪ ম্যাচে হেরে ঘোর অন্ধকারে মুম্বই। এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে ৬ উইকেটে ১৯৫ তুলেছিল তারা। কুইন্টন ডি’কক অপরাজিত ১১২ রানের ইনিংস উপহার দেন। তবু শেষরক্ষা হয়নি। প্রভসিমরন সিং ও শ্রেয়সের হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে পাঞ্জাব (১৯৮-৩)।
চোটের কারণে রোহিত শর্মা না খেলায় মুম্বইয়ের হয়ে এদিন ওপেন করেন ডি’কক ও রিয়ান রিকেলটন। তবে শুরুটা ভালো হয়নি। অর্শদীপ সিংয়ের বিধ্বংসী পেসে ১২ রানের মধ্যে দু’উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ২ রানে আউট হন রিকেলটন। আর সূর্যকুমার খাতাই খুলতে পারেননি। সেখান থেকে দলকে টানেন ডি’কক। ছাব্বিশের আইপিএলে প্রথমবার মাঠে নেমেই সেঞ্চুরি হাঁকান প্রোটিয়া তারাকা। তাঁর ৬০ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৭টি ছয়। নমন ধীরের (৩১ বলে ৫০) সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে দুশোর কাছে পৌঁছে দেন তিনি। অর্শদীপ ২২ রানে নেন ৩ উইকেট।
জবাবে ৪৫ রানে দু’উইকেট হারিয়েছিল পাঞ্জাবও। কিন্তু তৃতীয় উইকেটে ১৩৯ রান যোগ করে মুম্বইয়ের ম্যাচে ফেরার আশায় জল ঢেলে দেন প্রভসিমরন ও শ্রেয়স। ওপেন করতে নেমে ৩৯ বলে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন প্রভসিমরন। ক্যাপ্টেন শ্রেয়সের অবদান ৩৫ বলে ৬৬। মুম্বইয়ের সফলতম বোলার গজনফর ২ উইকেট পান। তবে যশপ্রীত বুমরাহ এদিনও সাফল্য পাননি। এই নিয়ে টানা ৫ ম্যাচে উইকেটহীন থাকলেন তারকা পেসার।