নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: জেলে বসেই ভাটপাড়ার তৃণমূল নেতা অশোক সাউকে খুনের ছক কষা হয়েছিল। জেল থেকে বেরিয়েই নিখুঁতভাবে দাদার খুনের বদলা নিল সুজল। এর জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল দুই ‘সুপারি কিলার’কে। পরামর্শ করা হয়েছিল কৌসর আলির সঙ্গে। সে কিছুদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। একমাত্র তাকেই গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিস। ধৃতকে জেরা করে এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিস। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক দশ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
Advertisement
এই খুনকে কেন্দ্র করে ভাটপাড়ায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রীতিমতো থমথমে ছিল জগদ্দল ও ভাটপাড়া। চলছে পুলিসি টহলদারি। পুলিস পিকেট বসেছে চায়ের দোকানের সামনে। ২০২১ সালে জগদ্দলে গণপ্রহারে মারা যান আকাশ প্রসাদ। সেই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিলেন এই তৃণমূল নেতা অশোক সাউ। পুলিসের প্রাথমিক তদন্ত অনুমান, আকাশ প্রসাদের মৃত্যুর বদলা নিতেই তার ভাই সুজল পরিকল্পনা করে খুন করেছে অশোক সাউকে। জানা গিয়েছে, অন্য একটি মামলায় সুজল বেশ কিছুদিন জেলে ছিল। সেখানে বসেই সে দাদার খুনের বদলা নিতে ছক কষেছিল। সুজলই ঠিক করেছিল দুই ‘সুপারি কিলার’কে।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী, হামলাকারীরা সংখ্যায় ১০-১২ জন ছিল। তাদের হাতে ছিল ওয়ান শটার, নাইন এমএম পিস্তল। বোমাও এনেছিল তারা। প্রথমে অশোক সাউকে লক্ষ্য করে তারা বোমা ছোড়ে। কিন্তু, সেটি না ফাটায় তারা ফিল্মি কায়দায় আমাদের চোখের সামনেই অশোক সাউকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এরপর রাস্তায় প্রকাশ্যে বোমা ফাটিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে যায় তারা। যাওয়ার আগে তারা বলে যায়, ‘বদলা লে লিয়া। উসকে সাথ জো ভি রহেগা, জিন্দা নেহি ছোড়েগা’। ঘটনাস্থলের অনতিদূরে জগদ্দল থানা, অথচ এতবড় ঘটনা ঘটে গেলেও আসেনি পুলিস।
অশোক সাউয়ের ভাই প্রদীপ সাউয়ের অভিযোগ, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে রাজ পান্ডে নামের এক সমাজবিরোধী জড়িত। সে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলার মনোজ পান্ডের ভাগ্নে। যদিও মনোজ এই হামলার ঘটনায় রাজের জড়িত থাকার ঘটনা অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, তৃণমূল নেতাকে তাদের দলের লোকজনই খুন করেছে। কাউন্সিলারের এক আত্মীয়ের জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। আমরা এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করছি। জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম জানিয়েছেন, এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড হল অর্জুন সিং।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী, হামলাকারীরা সংখ্যায় ১০-১২ জন ছিল। তাদের হাতে ছিল ওয়ান শটার, নাইন এমএম পিস্তল। বোমাও এনেছিল তারা। প্রথমে অশোক সাউকে লক্ষ্য করে তারা বোমা ছোড়ে। কিন্তু, সেটি না ফাটায় তারা ফিল্মি কায়দায় আমাদের চোখের সামনেই অশোক সাউকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এরপর রাস্তায় প্রকাশ্যে বোমা ফাটিয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে যায় তারা। যাওয়ার আগে তারা বলে যায়, ‘বদলা লে লিয়া। উসকে সাথ জো ভি রহেগা, জিন্দা নেহি ছোড়েগা’। ঘটনাস্থলের অনতিদূরে জগদ্দল থানা, অথচ এতবড় ঘটনা ঘটে গেলেও আসেনি পুলিস।
অশোক সাউয়ের ভাই প্রদীপ সাউয়ের অভিযোগ, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে রাজ পান্ডে নামের এক সমাজবিরোধী জড়িত। সে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলার মনোজ পান্ডের ভাগ্নে। যদিও মনোজ এই হামলার ঘটনায় রাজের জড়িত থাকার ঘটনা অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, তৃণমূল নেতাকে তাদের দলের লোকজনই খুন করেছে। কাউন্সিলারের এক আত্মীয়ের জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। আমরা এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করছি। জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম জানিয়েছেন, এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড হল অর্জুন সিং।



