নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একটি অংশ গিয়েছে ডিএলএড কোর্স করতে। আরেকটি অংশ উচ্চ প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার নিয়োগপত্র পেয়ে চলে গিয়েছে। ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাথমিক স্কুলগুলিতে এখন শিক্ষকের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আর কয়েকদিন বাদেই নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে। পড়াশোনা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য অন্যান্য স্কুলে যেখানে অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছেন, তাঁদের তুলে এনে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। যদিও এই সঙ্কট সাময়িক বলে দাবি করেছেন জেলা সংসদের চেয়ারম্যান অজিত নায়েক। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে জেলার ১২০০ শিক্ষক দু’বছরের জন্য এলিমেন্টারি এডুকেশনের কোর্স করতে গিয়েছেন। আর বাকি ৩৫০ জন উচ্চ প্রাথমিকে চাকরি পেয়ে চলে গিয়েছেন।এই জেলায় সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৮০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তাতে শিক্ষকের সংখ্যা ছিল ১৬,২৪০ জন। বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষক নেই। এদিকে, নতুন শিক্ষাবর্ষে জেলার ৩০০-রও বেশি প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি চালু হতে চলেছে। স্বভাবতই শিক্ষক ঘাটতির জেরে পড়াশোনার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে। বিষয়টি শিক্ষা সংসদের কাছে চ্যালেঞ্জের বলেই মনে করছে শিক্ষামহল। সূত্রের খবর, জেলায় সার্কেল ভিত্তিক কোন স্কুলে কত বাড়তি শিক্ষক রয়েছে, তার তালিকা তৈরি করেছে জেলা শিক্ষা সংসদ। যাঁরা অন্যত্র চাকরি পেয়ে চলে গিয়েছেন, সেই জায়গায় ওই বাড়তি শিক্ষকদের নিযুক্ত করা হবে। চেয়ারম্যানের কথায়, অনেক শিক্ষককে বাড়ির কাছাকাছি স্কুলে নিয়ে আসা হচ্ছে। এতে তাঁদের যেমন সুবিধা হবে, তেমনই শিক্ষকের সঙ্কট থাকা স্কুলগুলিতে পড়াশোনা বিঘ্নিত হবে না। যেহেতু ওই ১২০০ শিক্ষক দু’বছরের জন্য অন্য কোর্স করতে গিয়েছেন, সেহেতু তাঁদের জায়গায় কাউকে আনা যাচ্ছে না। তবে আশা করা হচ্ছে, খুব বেশি সমস্যা হবে না।



