নয়াদিল্লি: এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাবলে যন্তরমন্তরের প্রতিবাদী পড়ুয়াদের উপর র্যাফকে লাঠি, কাঁদানে গ্যাস এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারেরও অনুমতি দিয়েছিলেন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার এক পুলিশ অফিসার। নয়াদিল্লির সেই ডিসিপির নাম শচীন শর্মা। এমনই দাবি নয়া একটি রিপোর্টে।
২০ জুলাই সিজেপির ‘সংসদ চলো’ অভিযানে পুলিশের বলপ্রয়োগের ইস্যুতে এর আগে আরও একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে। পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার জেনারেল ডায়েরি এন্ট্রির তথ্য উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়, ডিসিপি পদমর্যাদারই অন্য এক অফিসার পেলেট গান ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। এবার নয়া রিপোর্টে আরও এক অফিসারের নাম সামনে এল। এবারের রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, ‘আরএএফ/সিআরপিএফ কন্টিনজেন্ট অফিসার কর্তৃক কার্ড সরবরাহ করা হবে’ শীর্ষক অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর রয়েছে শচীন শর্মা নামে ওই অফিসারের। সেখানে বলা হয়েছে, ‘আমি, শচীন শর্মা, নয়াদিল্লি জেলা, যন্তরমন্তরে কর্মরত সর্বোচ্চ পদমর্যাদার এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ১৪৯ ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৯৭৩-এর ১৩০ ধারা)-এর অধীনে, ইউনিট ডি/১০৩-এর ১০৪ নং পদমর্যাদার সহকারী কমান্ড্যান্ট দিলওয়ারকে, বিকাল ৫টায় গ্যাস/লাঠি চার্জ/আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে এবং/অথবা তাতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের (তাঁর অধীনস্থ সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তায়) গ্রেপ্তার ও আটক করার জন্য অনুমতি দিচ্ছি।’ বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ র্যাফ নিজে এধরনের সিদ্ধান্ত নেয় না।
প্রতিবাদী পড়ুয়াদের মুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ সামনে এসেছে। সেই আবহেই নির্দেশিকা জারি করে দিল্লির স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সিজেপির কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ আইনি পদক্ষেপ করা হবে না।