সংবাদদাতা, ইটাহার: ইটাহারে আপেল কুলের চাষ তেমন হয় না। ফলে ভিনজেলা থেকে ইটাহারে এসে আপেল কুল বিক্রি করে দ্বিগুণ মুনাফা কামিয়ে বাড়ি ফিরছেন চাঁচলের কৃষকরা। তবে উত্তর দিনাজপুর জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের জেলা আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত জানান, যে কোনও জায়গায় আপেল কুল চাষ করা যাবে। এই কুল চাষে ইটাহারের কোনও কৃষক আগ্রহী থাকলে তাঁদের প্রযুক্তিগতভাবে সহায়তা করা হবে।
Advertisement
চাঁচলের দরিয়াপুর, গালিমপুর সহ একাধিক গ্রামে কৃষকরা ধান, গম, ভুট্টা ছেড়ে আপেল কুল চাষ করছেন। মহানন্দা তীরবর্তী চাঁচল মহকুমায় কুলের ব্যাপক ফলন হওয়ায় দাম তেমন নেই। অধিক লাভের আশায় বাড়ি থেকে ২৫ কিমি দূরে আপেল কুল বিক্রি করতে ইটাহারে আসছেন একাধিক কৃষক। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুল বিক্রি করছেন তাঁরা। স্বাদ ভালো হওয়ায় আপেল কুলের চাহিদা ভালোই।
চাঁচলের কৃষকরা বলছেন, নদীয়া থেকে তাঁরা আপেল কুলের চারা নিয়ে আসেন। কেউ দেড় বিঘা জমিতে ছয়শো গাছ, আবার কেউ ১০ কাঠা জমিতে দুশো কুল গাছ লাগিয়েছেন। বিঘাপ্রতি ফলন ৫০ থেকে ৬০ কুইন্টাল। বিঘায় খরচ প্রায় ২৫ হাজার টাকা। পাইকারি দর কুইন্টাল প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। তবে খুচরো বিক্রিতে লাভ বেশি। বেশি লাভের আশায় চাঁচলের চাষিরা ইটাহারে আপেল কুল নিয়ে আসছেন।
চাঁচলের আনোয়ার আলি বলছেন, চাঁচলের বাজারে আপেল কুলের দাম খুচরো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। কিন্তু ইটাহারে দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আরেক চাষি দুলাল হুসেন জানান, ধান, গমের চেয়ে আপেল কুল চাষ করে লাভ অনেক বেশি হয়। ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকার আপেল কুল বিক্রিও করেছি। - নিজস্ব চিত্র
চাঁচলের কৃষকরা বলছেন, নদীয়া থেকে তাঁরা আপেল কুলের চারা নিয়ে আসেন। কেউ দেড় বিঘা জমিতে ছয়শো গাছ, আবার কেউ ১০ কাঠা জমিতে দুশো কুল গাছ লাগিয়েছেন। বিঘাপ্রতি ফলন ৫০ থেকে ৬০ কুইন্টাল। বিঘায় খরচ প্রায় ২৫ হাজার টাকা। পাইকারি দর কুইন্টাল প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। তবে খুচরো বিক্রিতে লাভ বেশি। বেশি লাভের আশায় চাঁচলের চাষিরা ইটাহারে আপেল কুল নিয়ে আসছেন।
চাঁচলের আনোয়ার আলি বলছেন, চাঁচলের বাজারে আপেল কুলের দাম খুচরো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। কিন্তু ইটাহারে দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আরেক চাষি দুলাল হুসেন জানান, ধান, গমের চেয়ে আপেল কুল চাষ করে লাভ অনেক বেশি হয়। ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকার আপেল কুল বিক্রিও করেছি। - নিজস্ব চিত্র



