


সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: মা ও ছেলের লড়াইয়ে জমজমাট ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র। সিপিএমও সমানতালে প্রচারে নেমেছে। সিপিএম প্রার্থী দিলীপ সিং গত পাঁচ বছরে বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের ব্যর্থতাকেই প্রচারে প্রধান হাতিয়ার করেছেন। তবে সিপিএম প্রার্থী ব্যক্তি হিসেবে তৃণমূলের রঞ্জন শীল শর্মার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। দিলীপবাবু বলেন, শিলিগুড়ি পুরসভায় দীর্ঘদিন কাউন্সিলার হিসাবে রঞ্জনবাবুকে পেয়েছি। তিনি সব সময় বিতর্কিত হলেও ব্যক্তি হিসাবে ভালো। রঞ্জনবাবুও দিলীপ সিংকে ভালো মানুষ বলে জানান।
সিপিএম ও তৃণমূল প্রার্থীর একে অপরের প্রশংসা করলেও পাশাপাশি দু’জনই এক সুরে বিজেপি প্রার্থী তথা বর্তমান বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। তাঁরা দু’জনই প্রচারে বলছেন, গত পাঁচ বছরে বিধায়ক শিখাদেবী এই এলাকার উন্নয়ন থমকে দিয়েছেন। শিখাদেবীর পাল্টা তোপ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তৃণমূল কোনো কাজ করতে দেয়নি।
শিখাদেবীকে মা বলে ডাকলেও ভোট প্রচারে রঞ্জনশীল শর্মা মানুষের কাছে বলছেন, শিখাদেবী অসুস্থ। ঠিকমতো ওষুধ খান না। আমাকে খেয়াল রাখতে হয়। ৭৩ বছরের বেশি বয়স। সব জায়গায় যেতে পারেন না। কাউকে না পেয়ে বিজেপি এবারও ওঁকে প্রার্থী করেছে। একথা শুনে শিখাদেবী বলেন, বিরোধীরা আমাকে অসুস্থ প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমি সুস্থ হয়েছি। ব্লাড প্রেসারের ওষুধ নিয়ম মতো খাই। বিরোধীরা এভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
এই তরজার মধ্যে শুক্রবার প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। দিলীপবাবু শালুগাড়ায় প্রচারে জোর দেন। রঞ্জনশীল শর্মা বিকেলে ফুলবাড়ি হাটে ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচিত হন। দোকানে দোকানে গিয়ে প্রচার সাড়েন। বিজেপি প্রার্থী শিখাদেবীকে এদিন সেভাবে প্রচারে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, শনিবার থেকে আমার প্রচার শুরু হবে। কৌশলগত কারণেই আমি সাংগঠনিক বৈঠকের পাশাপাশি কিছু এলাকাভিত্তিক জনসংযোগ সেরে নিচ্ছি।