সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: শহরের অলিগলি আলোকিত করতে এবার নয়া উদ্যোগ নিচ্ছে তুফানগঞ্জ পুরসভা। আগামী কিছুদিনের মধ্যে পুর এলাকাকে এলইডি লাইটে মুড়ে ফেলা হবে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্পে এক হাজার এলইডি লাইট, ৩০টি মিনিমাস্ট এবং ১৩০টি নতুন বাতিস্তম্ভ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তায় এই লাইট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
তুফানগঞ্জ শহরে ১২টি ওয়ার্ড। সন্ধ্যা নামলেই একাধিক অলিগলি এখনও অন্ধকারে ডুবে থাকে। লাইটগুলি লাগানো হলে সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে স্থানীয়দের দাবি। বর্তমানে শহরে ৩২০০টি ইলেক্ট্রিক পোল রয়েছে। যার মধ্যে ১৮০০ পোলে এলইডি বাতি রয়েছে। বাকিগুলিতে টিউব লাইট ও বাল্ব। শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক অভিজিৎ সাহা বলেন, এতে শহরকে যেমন আলোকিত করে তোলা সম্ভব হবে তেমনই চুরি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাতেও রাশ টানা যাবে। পুরসভার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ভারতী কুণ্ডু বলেন, এখনও শহরের বেশকিছু পোলে টিউব জ্বলে। এতে দৃশ্যমান্যতা অনেকটাই কম থাকে। এলইডি লাইটগুলি লাগানো হলে শহরবাসী উপকৃত হবেন। পথচারীদের নিরাপত্তা অনেকটাই সুনিশ্চিত হবে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা ঈশোর বলেন, এর আগে শহরের মেইন রোডগুলিতে এলইডি লাইট বসানো হয়েছিল। এখন কোন কোন এলাকায় টিউব লাইট রয়েছে তা চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। শহর সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি বিদ্যুতের খরচে রাশ টানতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ভারতী কুণ্ডু বলেন, এখনও শহরের বেশকিছু পোলে টিউব জ্বলে। এতে দৃশ্যমান্যতা অনেকটাই কম থাকে। এলইডি লাইটগুলি লাগানো হলে শহরবাসী উপকৃত হবেন। পথচারীদের নিরাপত্তা অনেকটাই সুনিশ্চিত হবে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা ঈশোর বলেন, এর আগে শহরের মেইন রোডগুলিতে এলইডি লাইট বসানো হয়েছিল। এখন কোন কোন এলাকায় টিউব লাইট রয়েছে তা চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। শহর সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি বিদ্যুতের খরচে রাশ টানতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



