Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেন জি-কে আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন মার্চেনডাইজ বিক্রি করবে সিপিএম, তালিকায় ব্যাগ-টি শার্ট-ফ্রিজ ম্যাগনেট-চাবির রিং-হার

মার্চেনডাইজ (বিক্রয়যোগ্য পণ্য) নিয়ে আসতে চলেছে সিপিএম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনী ও সার্ভে শুরু করেছে রাজ্য সিপিএম। মূলত জেন জি’কে আকৃষ্ট করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা বলে জানিয়েছে নেতৃত্ব।

জেন জি-কে আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন মার্চেনডাইজ বিক্রি করবে সিপিএম, তালিকায় ব্যাগ-টি শার্ট-ফ্রিজ ম্যাগনেট-চাবির রিং-হার
  • ৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোহম কর, কলকাতা: মার্চেনডাইজ (বিক্রয়যোগ্য পণ্য) নিয়ে আসতে চলেছে সিপিএম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনী ও সার্ভে শুরু করেছে রাজ্য সিপিএম। মূলত জেন জি’কে আকৃষ্ট করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা বলে জানিয়েছে নেতৃত্ব। পার্টির সংস্কৃতি অনুযায়ী ব্যাগ-টি শার্ট-ফ্রিজ ম্যাগনেট-চাবির রিং, গলার হার সহ নানা রকমের জিনিসপত্র বিক্রি করা হবে অনলাইনে।

Advertisement

ইতিমধ্যেই মুজফফর আহমেদের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের দিন মহাজাতি সদনে একটি প্রদর্শনী হয়েছে। এতদিন সিপিএমের বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, বইমেলা কিংবা সম্মেলনে বই, টি শার্ট, ব্যাগ বিক্রি করা হত। কিন্তু এবার পার্টির তত্ত্বাবধানে এই কাজ করা হবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘আমরা তো আগেও এই ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি করেছি। আপাতত সার্ভে করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে মানুষ কী ধরনের জিনিস কত দামে চাইছেন। এটা মূলত অনলাইনেই করা হবে। বাকিটা আমরা পরে ঘোষণা করব।’ মার্চেনডাইজের মধ্যে রয়েছে কাস্তে-হাতুড়ি আঁকা গলার হার, প্যালেস্তাইন, লেনিন-কার্ল মার্ক্সের ছবি দেওয়া ব্যাগ, চে গেভারা, ভ্যান গগের ছবি দেওয়া টি শার্ট, প্যালেস্তাইনের পতাকার চাবির রিং, কাস্তে হাতুড়ি তারার ব্যাজ সহ আরও নানা ধরনের জিনিসপত্র। সিপিএমের রাজ্য কমিটির এক সদস্যর কথায়, নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা এগুলো চাইছেন। আমরা এই ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে চাহিদা বুঝে নিতে চাইছি। একটি প্রদর্শনী হয়েছে। এরকম আরও কয়েকটা করা হবে। সেই অনুযায়ী, পরবর্তীকালে চাহিদা বুঝে আমরা এগব।
এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নতুন প্রজন্মের মন পেতে চাইছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। তা সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহার করে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে। সেই প্রচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমও করছে। তারই নবতম সংযোজন এইসব মার্চেনডাইজ। মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘একসময় তো প্যালেস্তাইনের কেফিয়াহ কী অনেকেই জানতেন না। কিন্তু সহমর্মিতা দেখাতে এখন সেটাই অনেকে চাইছেন। এই ধরনের জিনিসপত্র দেওয়া নেওয়া আসলে এক ধরনের বার্তা প্রদান। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও আমরা এমন দেখেছি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ