মেঙ্গালুরু: দশ মাস আগে টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস (টিআইএসএস)-এর নয় পড়ুয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল পুলিশ। অভিযোগ ছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি এন সাইবাবা স্মরণে তাঁরা নিজেদের ক্যাম্পাসে এক শোকসভার আয়োজন করেছেন। আদালতই জানিয়েছিল, অভিযোগ তেমন গুরুতর নয়। এরপরও দু’জনের অগ্রিম জামিনের আরজি নামঞ্জুর করে আদালত। পুলিশ ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। যদিও এই মামলায় বাকি ছাত্ররা জামিন পেয়েছেন।
অসমের কামাক্ষ্যা প্রসাদ দাস (২৩) এবং পশ্চিমবঙ্গের অভিরূপ পাল (৩২) নামে দুই ছাত্র সহ আরও সাতজনকে গত বছরের অক্টোবরে পুলিশ আটক করে। কামাক্ষ্যা এবং অভিরূপকে গত ৭ আগস্ট রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। ৮ আগস্ট মুম্বই আদালতেও পেশ করা হয়েছে। পুলিশ ১০ দিনের হেপাজত চাইলেও আদালত একদিন পুলিশ হেপাজত মঞ্জুর করে। উল্লেখযোগ্য বিষয় কামাক্ষ্যা এবং অভিরূপই ছাত্রনেতা উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তার জেরেই তাঁদের দু’জনের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। আদালত ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ওই নয় ছাত্রের বিরুদ্ধে যে কারণে এফআইআর করা হয়, তা আদতে সেভাবে অপরাধের মধ্যে পড়ে না। অথচ তারপরও কেন নির্দিষ্টভাবে দু’জনের অগ্রিম জামিন মঞ্জুর করা হল না, তা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে।