নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া নিয়ে আপাতত জল্পনার অবসান ঘটল। শনিবার খিচুড়ির সঙ্গে ডিম সিদ্ধ পেল স্কুলের কচিকাঁচারা। এর সঙ্গে গজাও দেওয়া হয়েছে বহু স্কুলে। সূত্রের খবর, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির থেকে সিদ্ধ ডিম সংগ্রহ করেছে স্কুলগুলি। ইসকনের তরফে মিড ডে মিলের খাবার দেওয়া শুরু হতেই ডিম নিয়ে তরজা শুরু হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। কারণ, ইসকনের সাত্ত্বিক খাবারে স্থান নেই আমিষের। এদিকে, মিড ডে মিলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত ছিল ডিম। বিতর্কের আবহে ডিম ছাড়াও যে পুষ্টি হতে পারে, সেই দাবি করেছিলেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। এতে বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে রাজ্যজুড়ে। তবে, রাজ্য বা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমালোচনার মাধ্যমে রাজ্য সরকার জানায়, ডিম আলাদা করে দেওয়া হবে মিড ডে মিলে। স্কুলশিক্ষা বাজেটেও তা উল্লেখ করা হয়েছে।
১ আগস্ট ইসকনের অন্নামৃত কিচেন থেকে মিড ডে মিল সরবরাহের সূচনা অনুষ্ঠানে বিষয়টি আরও পরিষ্কার করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানান, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির থেকে ডিম সংগ্রহ করতে পারবে স্কুলগুলি। তবে, মিড ডে মিল নিয়ে ডিআই অফিসে হওয়া রিভিউ বৈঠকে এ নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভ্রান্তির বিষয় উঠে এসেছিল। কীভাবে ডিম সংগ্রহ করা হবে, স্কুলগুলিকেই দায়িত্ব নিতে হবে কি না, এরকম নানা প্রশ্ন উঠে আসে। সূত্রের খবর, ইসকন যেহেতু ডিম দিচ্ছে না, তাই সেই বাবদ অনুদান ইসকনের প্রাপ্য থেকে কেটেই স্কুলগুলিকে ডিমের জন্য সরবরাহ করবে দপ্তর। সমস্ত স্কুলে গ্যাস সংযোগ বা ইন্ডাকশন অ্যাভেনের ব্যবস্থা থাকলে তারাও ডিম কিনে সিদ্ধ করে নিতে পারবে। যতদিন না হচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিই সরবরাহ করতে পারবে সেগুলি। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে দু’দিন ডিম পাবে মিড ডে মিলের পড়ুয়ারা।