


সংবাদদাতা, চোপড়া: কোটি টাকার রাস্তার কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। এমনটাই অভিযোগ চোপড়ার মাঝিয়ালি এলাকার বাসিন্দাদের। তাঁদের বক্তব্য, ফকিরানি থেকে খুজালুগছ পর্যন্ত প্রায় ছয় কিমি রাস্তার কাজ শেষ না করে কয়েক মাস আগে ঠিকাদার জিনিসপত্র গুটিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ডাউকাগছ গ্রামের বাসিন্দা দেবেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, রাস্তার কাজ শেষ না করে ঠিকাদার জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে কাজের শিলান্যাস হয়। মোট বরাদ্দ হয় ১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাঁচ-সাতটি গ্রামের বাসিন্দারা ওই রাস্তায় চলাচল করেন। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ২২ বছর থেকে বেহাল রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এবার সমস্যা মিটে যাওয়ার কথা। কিন্তু কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার পালিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা অলক সরকারের কথায়, ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার রাস্তার কাজের শিলান্যাস হয়েছিল। তখন রাস্তার অর্ধেক কাজ করা হয়। রাস্তার কাজ পুরো শেষ না করেই ফের চলে যায় ঠিকাদার। কী কারণে ঠিকাদার বারবার কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, জানেন না স্থানীয়রা। তাঁরা বলছেন, বলাইগছ থেকে খুঁজালুগছ পর্যন্ত প্রায় তিন কিমি রাস্তায় এখন শুধু ভাঙা পাথর গড়াগড়ি খাচ্ছে। এই পথে চলতে মানুষকে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নরেশচন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, রাস্তার সমস্যার কথা উপরমহলে জানিয়েছি। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কণিকা ভৌমিক জানিয়েছেন, ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ফের রাস্তার কাজ শুরু করতে জেলা প্রশাসনকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।