সংবাদদাতা, বজবজ: ওভারহেড জলাধার কম থাকার জন্য পুজালির নাগরিকরা চাহিদা অনুসারে জল পাচ্ছিলেন না। তাই নতুন করে পাঁচটি ওভারহেড জলাধার তৈরির কাজ চলছিল। সেগুলি এখন সম্পূর্ণ। এবার ওই জলাধারের মাধ্যমে নাগরিকদের জলের চাহিদা পূরণ করতে পারবে পুরসভা। তবে তার আগে ওই নতুন পাঁচ ওভারহেড জলাধারে জল রাখার পর তা পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। তার রিপোর্ট আসতে একমাস লেগে যাবে। ওই রিপোর্ট পাওয়ার পর ওভারহেড জলাধারগুলি থেকে জল সরবরাহ শুরু হবে। সেই হিসেবে, আর একমাস পর পুজালির নাগরিকদের পানীয় জল নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকবে না– এমনটাই দাবি পুর কর্তৃপক্ষের।
পুজালি পুরসভার নিজস্ব ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট’ আছে। সেখানে সব মিলিয়ে নয় মিলিয়ন গ্যালন জল উৎপাদন হয়। সেখান থেকেই জল সরবরাহ করা হয়। কিন্ত জল ধরে রাখার জন্য একটি মাত্র ওভারহেড জলাধার ছিল পুজালিতে। এছাড়া একটি ভূগর্ভস্থ জলাধারও আছে। এই দিয়ে ১৬টি ওয়ার্ডে ঠিকভাবে জল সরবরাহ করা যাচ্ছিল না। সেই কারণে কেএমডিএ ১, ৪, ১১, ১৫-১৬ ওয়ার্ডের মাঝখানে ওই পাঁচটি জলাধার তৈরি করে। ২০২২ সালে এর কাজ শুরু করেছিল। চলতি মাসে তা শেষ হল।
প্রশাসক এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান তাপস বিশ্বাস বলেন, আমাদের নিজস্ব ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে উৎপাদিত জল এই ওভারহেডগুলিতে পাঠানো হবে। অম্রুত ২ প্রকল্পে এই জল পুরসভার নথিভুক্ত সংযোগকারী পাঁচ হাজার ৭৭টি বাড়ির বাসিন্দারা পাবেন। কতটা জল তাঁরা পাচ্ছেন, তা দেখার জন্য ইতিমধ্যেই জলের মিটার বসানো হয়েছে। এছাড়া আরও একটি ভূগর্ভস্থ জলাধার তৈরির জন্য কেএমডিএ-এর কাছে আর্জি জানান হয়েছে। এদিকে, মহেশতলা থেকে যে ২ মিলিয়ন গ্যালন জল পাওয়ার কথা পুজালির, তা এখনও আসেনি। তাপসবাবু বলেন, ওই জলও খুব শীঘ্রই পাওয়ার আশা করছি। ইতিমধ্যেই কেএমডিএ-কে এবলা হয়েছে।