নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ঘটা করে ব্রিকস সম্মেলন তো হল। কিন্তু চীনের মুখোমুখি হয়েও কেন অপারেশন সিন্দুর ইস্যু তুললেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি? কেন গলওয়ান, অরুণাচল প্রদেশ ইস্যুও তোলা হল না? ফলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে গিয়ে আদতে জি জিনপিংয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন মোদি। রবিবার এই মর্মেই সমালোচনা করল কংগ্রেস। দলের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ এক বিবৃতি জারি করে চারটি প্রশ্ন ছোঁড়েন। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করে তাঁর সওয়াল, অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন পাকিস্তানকে চীনের সহায়তা নিয়ে কেন কোনো উল্লেখ নেই ব্রিকসের আলোচনায়? কেন নিজের অবস্থান নরম করল ভারত? এর পাশাপাশি গলওয়ান প্রসঙ্গ তুলে জয়রাম বলেছেন, ২০২০ সালের ১৫-১৬ জুন পূর্ব লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন জওয়ান শহিদ হন। অথচ তার চারদিন পর, ১৯ জুন, সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, না কেউ আমাদের সীমায় ঢুকে এসেছে। না কেউ ঢুকে রয়েছে। ফলে ২০২০ সালে চীনকে দেওয়া ‘ক্লিনচিট’ কি ভারতের অবস্থান দুর্বল করেনি? লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশে চীনের আগ্রাসন কেন মেনে নেওয়া হচ্ছে? অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকার নাম পরিবর্তন, ‘দক্ষিণ তিব্বত’ হিসেবে অরুণাচলের ওপর দাবি করা এবং ব্রহ্মপুত্রের ওপর বাঁধ নির্মাণের ঘটনার পরেও কেন চুপ মোদি? চতুর্থ প্রশ্ন হল, চীনের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাল কেন? জয়রামের কটাক্ষ, মেক ইন ইন্ডিয়া আর চীন থেকে আমদানি—এখন একই মুদ্রার দুই পিঠে পরিণত হয়েছে।



