Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬

‘কংগ্রেসই তাড়িয়ে দিয়েছিল দিদিকে’, সংসদে ‘গদ্দার’ বিক্ষোভের মাঝে প্রিয়াঙ্কার খোঁচার জবাব কল্যাণের

বিদ্রোহী ২০ তৃণমূল সাংসদের ছবি দেওয়া ফেস্টুন গলায় ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যেখানে লেখা ‘লোকসভা মে বঙ্গাল কা ২০ গদ্দার।’

‘কংগ্রেসই তাড়িয়ে দিয়েছিল দিদিকে’, সংসদে ‘গদ্দার’ বিক্ষোভের মাঝে  প্রিয়াঙ্কার খোঁচার জবাব কল্যাণের
  • ৩১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিদ্রোহী ২০ তৃণমূল সাংসদের ছবি দেওয়া ফেস্টুন গলায় ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যেখানে লেখা ‘লোকসভা মে বঙ্গাল কা ২০ গদ্দার।’  বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে মকর দ্বারের সামনে তাঁর এই অভিনব বিক্ষোভ দেখে জমে গেল ভিড়। এগিয়ে এলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সঙ্গে কংগ্রেসের হিবি ইডেন, সপ্তগিরি উলাকা, নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব। শুরু হল অম্ল-মধুর আলাপচারিতা। কিছুটা বিতর্কও। তবে ঠাণ্ডা মাথার প্রিয়াঙ্কা আর কথা বাড়ালেন না। তেতো করলেন না তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক। মৃদু হেসে চলে গেলেন। 

Advertisement

বিদ্রোহী তৃণমূলের সাংসদ মিতালি বাগের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে নারী বিদ্বেষী আচরণের ‘অপরাধে’ শ্রীরামপুরের সাংসদকে গত ২২ জুলাই সাসপেন্ড করা হয়েছে। আপাতত সভার অন্দরে প্রবেশ করতে পারছেন। তাতে কী! প্রতিবাদে খামতি নেই কল্যাণের। ২৩ তারিখ সংসদ চত্বরের সিঁড়িতে বসে পড়েছিলেন ধর্ণায়। ফের বৃহস্পতিবার। প্লাকার্ডের ছবি দেখে প্রিয়াঙ্কা বলেন,  ‘কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে, সেখান থেকে বিজেপিতে।’ তাঁর কথায় যে সামান্য খোঁচা ছিল, বুঝে গেলেন দুঁদে আইনজীবী কল্যাণ। তিনিও বললেন, ‘ছেড়ে নয়। কংগ্রেসই তাড়িয়ে দিয়েছিল দিদিকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)। আমরাও কংগ্রেসই ছিলাম।’ হাসতে হাসতে প্রিয়াঙ্কার পালটা, ‘রাজীব গান্ধী কিন্তু দিদিকে খুব সম্মান করতেন।’ কল্যাণ যা মেনেও নিলেন। তবে ব্যাট ধরলেন দলনেত্রীরই হয়ে। বললেন, ‘কিন্তু তারপরেও তো তাড়িয়ে দিলেন। বাংলায় আমরা তৃণমূল যেখানে সিপিএমের সঙ্গে লড়ছি, কংগ্রেস সেখানে সিপিএমের সঙ্গেই হাত মিলিয়েছিল। এটা তো মানা যায় না।’ প্রিয়াঙ্কার হয়ে পোঁ ধরলেন পাপ্পু যাদব। মজা করে বললেন, এখন তো আবার কংগ্রেস আছে তৃণমূলেরই পাশে। সচ হ্যায় কি বোলিয়ে!.....
বাংলায় বিজেপির কাছে হারের পর নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়দের মতো ২০ জন। তৃণমূলের বিশ্বস্ত হিসেবে রয়ে গিয়েছেন আটজন। তারই মধ্যে একজন সাসপেন্ড। কল্যাণের মতো মুখর মোদি-শাহ বিরোধী বক্তাকে পাশে না পেয়ে লোকসভায় বিক্ষোভ-বিরোধিতায় অভাববোধ করছেন বাকিরা। তাই সাসপেনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার এবং সরকার, উভয়ের কাছেই দরবার চলছে। বৃহস্পতিবারও ওম বিড়লা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন  সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র এবং প্রতিমা মণ্ডল। যদিও স্পিকার ‘দেখ রাহা হুঁ কেয়া কিয়া যায়’ আশ্বাসেই ক্ষান্ত থেকেছেন। রিজিজুও যাচ্ছেন এড়িয়ে।  ছবি: পিটিআই

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ