বনগাঁয় বিজেপির ২ মন্ত্রীর বিবাদ জারি
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: বনগাঁয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বনাম রাজ্যের মন্ত্রীর বিবাদ চলছেই। বৃহস্পতিবার বিজয়া সম্মিলনি অনুষ্ঠান থেকে নাম না করে রাজ্যের মন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকেও হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। 

Advertisement

এদিন বনগাঁ মতিগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ড শ্রমিক সংগঠনের বিজয়া সম্মিলনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। ছিলেন হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, বনগাঁয় কিছু মানুষ তৃণমূলিকরণ করার চেষ্টা করছে। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে সন্ত্রাসের বাতাবরণ করার চেষ্টা চলছে। এটা কোনোদিন হতে দেবো না। যত বড়ো নেতাই হোন ঘাড় ধরে নামিয়ে দেব। পেট্রাপোল বন্দরে অচলাবস্থা প্রসঙ্গে বনগাঁর পুলিশকে কড়া বার্তা দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের মদত দিচ্ছে বনগাঁর পুলিশ প্রশাসন। বুধবার শ্রমিকদের দুই গোষ্ঠীর মারামারির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শান্তনু। তিনি বলেন, কয়েকজন নেতা তৃণমূলের সঙ্গে নিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। পেট্রাপোল বন্দরে শ্রমিকদের উপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশকে বলছি, কালীপুজোর পর এর হিসেব নেব। যত বড়ো নেতার সঙ্গেই আঁতাঁত থাক কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদিন পুলিশকে একহাত নেন হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। তিনি বলেন, পেট্রাপোল বন্দরে অশান্তিতে মদত দিচ্ছে পেট্রাপোল থানার পুলিশ। তাঁর সামনে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি বিজেপি বিধায়ক বলেন, অনেক নেতা মতুয়া সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তবে কে সেই নেতা, তা স্পষ্ট করেননি বিধায়ক। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রাজ্যের মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন সরকারের অঙ্গ।