Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

আম্বালায় পূর্ণ ব্ল্যাকআউট, লুধিয়ানায় চালু কন্ট্রোলরুম

বৃহস্পতিবার রাতে জম্মু, পাঠানকোট, উধমপুর, জয়সলমিরে আক্রমণের চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। কিন্তু তা ব্যর্থ করে দেয় ভারতীয় সেনা।

আম্বালায় পূর্ণ ব্ল্যাকআউট, লুধিয়ানায় চালু কন্ট্রোলরুম
  • ১০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চণ্ডীগড়: বৃহস্পতিবার রাতে জম্মু, পাঠানকোট, উধমপুর, জয়সলমিরে আক্রমণের চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। কিন্তু তা ব্যর্থ করে দেয় ভারতীয় সেনা। আর পরের মুহূর্তেই চলে পাকিস্তানজুড়ে প্রত্যাঘাত। এই পরিস্থিতিতে আমজনতার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে যাবতীয় সতর্কতা অবলম্বন করল হরিয়ানা ও পাঞ্জাব সরকার। হরিয়ানার আম্বালা বায়ুসেনার গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। যে কোনও সময় হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শুক্রবার সেখানকার জেলা প্রশাসনের তরফে রাতের বেলায় সম্পূর্ণরূপে ব্ল্যাকআউট ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নির্দেশিকা জারি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন রাত আটটা থেকে পরের দিন সকাল ছ’টা পর্যন্ত চলবে ব্ল্যাকআউট। এইসময় ইনভার্টার, জেনেরেটর থেকে শুরু করে রাস্তার আলো, বিলবোর্ড সহ সমস্তকিছুই বন্ধ রাখতে হবে। ঘরের মধ্যে যদি আলো জ্বালাতে হয়, সেক্ষেত্রে দরজা, জানালা মোটা কালো পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। যাতে বাইরে থেকে আলো বোঝা না যায়। চণ্ডীগড়ে প্রশাসনের তরফে ইমার্জেন্সি সাইরেন নিয়েও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে হামলার ইঙ্গিত দিতে রেড অ্যালার্ট সাইরেন বাজানো হবে। আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজবে ‘অল ক্লিয়ার সাইরেন’।  

Advertisement

লুধিয়ানার চিত্রটাও একইরম। লুধিয়ানার ডেপুটি কমিশনার হিমাংশু জৈন শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় সাধারণের উদ্দেশে জানান, ‘আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। সতর্ক থাকুন। পরস্পরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। এখন শান্তি বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য।’ ইতিমধ্যেই জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনিক ভবনে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। কোনও সমস্যা হলে ইমার্জেন্সি হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে। লুধিয়ানায় সমস্তরকমের ড্রোন ব্যবহার ও আতশবাজি পোড়ানোর উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ডেপুটি কমিশনারের কথায়, সবাইকে ব্ল্যাকআউটের নিয়ম মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি কোনওরকম ভুল তথ্য ছড়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ