সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন সমুদ্র বাঁধে ফের নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। অমাবস্যার কটালের প্রভাবে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি ও প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে এই পরিস্থিতি হয়েছে। মেলা মাঠের এক থেকে পাঁচ নম্বর ঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে ধস নেমেছে। যে কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা গিয়েছে। এদিকে বারবার ভাঙনের ফলে পুণ্যার্থী নির্ভর গঙ্গাসাগরের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় প্রতি বছরই বর্ষাকালে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে স্থায়ী কোনো সমাধানের ব্যবস্থা করা হয় না। কেবল সাময়িক মেরামত করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি, শুধু বাঁশ ও বল্লা পুঁতে মাটি ফেলে বাঁধের ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্থায়ীভাবে কংক্রিটের বাঁধ তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা গৌরী প্রামাণিক বলেন, প্রতি বছরই এখানে সমুদ্র সৈকতের পাশে মাটি ফেলে রাস্তা তৈরি করা হয়। কিন্তু সেই রাস্তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না। বর্ষাকাল এলেই সমুদ্রের ঢেউয়ের তাণ্ডবে তা ভেঙে যায়। এ বছরও অমাবস্যার কটালে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই ব্যবসায়ীদের প্রায় প্রতিদিনই জায়গা পরিবর্তন করে ব্যবসা করতে হচ্ছে। যে কারণে ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এখনই কপিলমুনি মন্দিরের সামনের অংশের সমুদ্র সৈকতে স্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামত করা না হলে, পরবর্তী কটালে আরও বড়সড় ভাঙনের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল বলেন, ওখানে স্থায়ীভাবে নদীবাঁধ নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব চিত্র



