Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬

বাইপাস প্রকল্প ঘোষণার আগেই জমি ক্রয় আইএএস-আইপিএস কর্তাদের, ৪ বছরে ১১ গুণ মুনাফা

বড়োসড়ো জমি কেলেঙ্কারি ধরা পড়ল মধ্যপ্রদেশে। মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি টাকায় কৃষিজমি কিনেছিলেন আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকরা।

বাইপাস প্রকল্প ঘোষণার আগেই জমি ক্রয় আইএএস-আইপিএস কর্তাদের, ৪ বছরে ১১ গুণ মুনাফা
  • ১২ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভোপাল: বড়োসড়ো জমি কেলেঙ্কারি ধরা পড়ল মধ্যপ্রদেশে। মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি টাকায় কৃষিজমি কিনেছিলেন আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকরা। এরপর সেই জমি লাগোয়া একটি বাইপাস রাস্তা তৈরি প্রকল্পে ছাড়পত্র দেয় সেরাজ্যের বিজেপি সরকার। কাকতালীয়ভাবে বদলে যায় জমির চরিত্রও। মাত্র চার বছরে সেই জমির দাম পৌঁছে গিয়েছে অবিশ্বাস্য অঙ্কে, ৫৫ থেকে ৬৫ কোটি টাকায়। প্রায় ১১ গুণ মুনাফা! 

Advertisement

২০২২ সালের এই জমি কেনাবেচার বিষয়টি সামনে আসতেই দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ৫০ জন আইএএস এবং আইপিএস অফিসার। শুধু মধ্যপ্রদেশ ক্যাডাররা নন, ওই জমি কিনেছেন মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, হরিয়ানা এবং দিল্লি ক্যাডারের আধিকারিকরাও। অনেকেই আবার দিল্লিতে কর্মরত। আধিকারিকদের দাখিল করা অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য (আইপিআর) যাচাই করতে গিয়েই এত বড়ো গরমিল সামনে এসেছে। একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল একই দিনে ভোপালের কোলার এলাকার গুরাডিঘাট গ্রামে ৫০ জন আধিকারিক প্রায় ১৫ বিঘা কৃষিজমি কিনেছিলেন। একটি মাত্র রেজিস্ট্রিতেই তা কেনা হয়। জমির ক্রয়মূল্য ছিল সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। যদিও তার সরকারি মূল্য ছিল ৭ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা। আইপিআরে ‘সমমনস্ক আধিকারিকদের একযোগে বিনিয়োগ’ হিসাবে দেখানো হয়। এখানেও গরমিল স্পষ্ট। সংবাদমাধ্যমের খবর, জমির ৫০টি শেয়ার থাকলেও আসল ক্রেতা ৪১ জন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ