Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বন্ধ রেলপথই জামুড়িয়ায় বালি পাচারের করিডর!

সাধক বামাখ্যামার সাধনভূমি জামুড়িয়ার ইকড়া। আবার জামুড়িয়া থানা এলাকারই চুরুলিয়ায় বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের জন্ম। দুই ঐতিহাসিক স্থানকে জুড়ত অণ্ডাল হয়ে ইকড়া পলাশথলি রেললাইন।

বন্ধ রেলপথই জামুড়িয়ায় বালি পাচারের করিডর!
  • ১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: সাধক বামাখ্যামার সাধনভূমি জামুড়িয়ার ইকড়া। আবার জামুড়িয়া থানা এলাকারই চুরুলিয়ায় বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের জন্ম। দুই ঐতিহাসিক স্থানকে জুড়ত অণ্ডাল হয়ে ইকড়া পলাশথলি রেললাইন। দীর্ঘদিন ধরে সেই রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ। সেই সুযোগে রেলের লাইনও লুট করে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এবার সেই ট্র্যাক দিয়েই দরবারডাঙা, বীরকুল্টি হয়ে বালির কারবার চলছে। রীতিমতো এই রেলপথকে করিডোরের মতো ব্যবহার করে চলে সেখানে বালি, কয়লা পাচারের অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার জামুড়িয়ার সকাড্ডির কাছে রাস্তা কেটে দিল রেল। রাস্তা কেটে জায়গাটায় পিলার ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, বালি বোঝাই লরি, ট্রাক্টর, অজয়ের বীরকুল্টি, দরবারডাঙা হয়ে কুমাডিহি, সকাড্ডি পেরিয়ে শেখপুরে ওঠে। বর্তমানে যা সুপার মোড় হিসাবে পরিচিত। সেখান থেকে জামুড়িয়া শিল্পতালুকের চওড়া রাস্তা দিয়ে বালি বোঝাই লরি জামুড়িয়া-রানিসায়ের রাস্তা ধরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে উঠত। অভিযোগ উঠছিল সুপার মোড়ের কাছে বালির গাড়ি পিছু তোলাবাজিও চলছে। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এই কারবারে রেলপথ ব্যবহার হওয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। এবার রাস্তা কেটে পিলার ফেলে দুষ্কৃতীদের কুকর্মে জল ঢালল ভারতীয় রেল। তবে এই এলাকাই নয় জামুড়িয়ার পুনিহাটি ওয়ার্কশপেও বালির গাড়ি থেকে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে তা হলে কি ভরা বর্ষাতেও বালি কারবার অব্যাহত। অভিযোগ উঠছে অনেক সময়েই বারাবানির গোরান্ডি, রসুনপুর-লালগঞ্জ হয়ে বালি বোঝাই লরি উঠছে আসানসোলের জুবলি মোড়ে। আবার কিছু ক্ষেত্রে জামুড়িয়ার চুরুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বালি তুলে তা দোহামানি হয়ে আসানসোলের কাল্লা মোড়ে উঠছে। এই রাস্তাতেও বালির গাড়ি থেকে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। বুধবার রাতে এনিয়ে কাল্লা সেতুর কাছে দু’পক্ষের মধ্যে অশান্তির খবর মেলে। পুলিশ গিয়ে শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও কোনোপক্ষই লিখিত অভিযোগ না করায় মামলা হয়নি। তেমনি ঝাড়খণ্ড থেকে অবৈধ বালিও বাংলায় প্রবেশের অভিযোগ উঠছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ