সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: এর আগে সরকারি ভর্তুকিতে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য চাষিদের সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষিদপ্তরে ছুটতে হতো। এবার থেকে ঘরের সামনে দুয়ারে সরকার শিবিরে তাঁরা এই আবেদন করার সুযোগ পাবেন। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী প্রকল্পের সঙ্গে এবারে চাষিদের সুবিধার জন্য ‘কৃষি যন্ত্রায়ণ’প্রকল্প যুক্ত করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
এই নিয়ে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল বলেন, এর আগে দুয়ারে সরকার শিবিরে রাজ্যের ৩৭টি প্রকল্পের পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। এবারে চাষিদের সুবিধার জন্য কৃষি যন্ত্রায়ণ প্রকল্পকে জেলায় দুয়ারে শিবিরে যুক্ত করা হচ্ছে। চাষিরা তাঁদের নিকটবর্তীশিবিরে চাষের যন্ত্রপাতি কেনার আবেদন করতে পারবেন। এর আগে জেলায় ২৩০০টি দুয়ারে সরকার শিবির ছিল। এবারেও শিবিরের সংখ্যা প্রায় একই থাকছে। এর আগে দুয়ারে সরকার শিবিরে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে যে আবেদন জমা পড়েছিল, সেই সমস্ত আবেদনের সমাধান হয়ে গিয়েছে।
আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হচ্ছে নবম দুয়ারে সরকার শিবির। এই শিবির থেকে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, তফসিলি জাতি এবং উপজাতি ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের সার্টিফিকেট প্রদান, শিক্ষাশ্রী, তফসিলি বন্ধু, জয় জোহার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, মানবিক, কৃষক বন্ধু, ঐক্যশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ ৩৭ ধরনের প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে জেলাবাসী। জেলার চাষিদের কথা ভেবে এবারের শিবিরে জেলা কৃষিদপ্তর থেকে সরকারি ভর্তুকিতে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য কৃষি যন্ত্রায়ণ প্রকল্পকে যুক্ত করা হয়েছে। কেননা ধান কাটা, জমিতে লাঙ্গল দেওয়া, ধান থেকে চাল, মুড়ি, আটা, মসলা ও তেল তৈরি সহ প্রায় মেশিনের চাহিদাও চাষের অন্যান্য কাজ জেলায় মেশিনের ব্যবহার প্রচুর বেড়েছে। অবশ্য অনেক আগে থেকেই রাজ্য সরকার কৃষকদের জন্য বাংলার শস্যবিমা যোজনা, কৃষক বন্ধু প্রকল্প এমনকী সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যবস্থা করেছে।
এই নিয়ে জেলা সহ কৃষি অধিকর্তা (তথ্য) সুকুমার কিস্কু বলেন, প্রতি বছর কৃষি যন্ত্রায়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পোর্টালে তথ্য আপলোড ও হার্ডকপি জমা দেওয়ার দু’টি ধাপ আছে। ফার্মমেকানাইজেশন পোর্টালে চাষিদের তথ্য আপলোড করতে হবে। এর আগে তার হার্ডকপি সংশ্লিষ্ট ব্লক অফিসে জমা করতে হতো। এবারে দুয়ারে সরকারের শিবিরে চাষিরা তাদের হার্ডকপি জমা করতে পারবেন। এই প্রকল্পে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকেই আমাদের এই পোর্টাল খুলে যাবে।
আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হচ্ছে নবম দুয়ারে সরকার শিবির। এই শিবির থেকে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, তফসিলি জাতি এবং উপজাতি ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের সার্টিফিকেট প্রদান, শিক্ষাশ্রী, তফসিলি বন্ধু, জয় জোহার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, মানবিক, কৃষক বন্ধু, ঐক্যশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ ৩৭ ধরনের প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে জেলাবাসী। জেলার চাষিদের কথা ভেবে এবারের শিবিরে জেলা কৃষিদপ্তর থেকে সরকারি ভর্তুকিতে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য কৃষি যন্ত্রায়ণ প্রকল্পকে যুক্ত করা হয়েছে। কেননা ধান কাটা, জমিতে লাঙ্গল দেওয়া, ধান থেকে চাল, মুড়ি, আটা, মসলা ও তেল তৈরি সহ প্রায় মেশিনের চাহিদাও চাষের অন্যান্য কাজ জেলায় মেশিনের ব্যবহার প্রচুর বেড়েছে। অবশ্য অনেক আগে থেকেই রাজ্য সরকার কৃষকদের জন্য বাংলার শস্যবিমা যোজনা, কৃষক বন্ধু প্রকল্প এমনকী সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যবস্থা করেছে।
এই নিয়ে জেলা সহ কৃষি অধিকর্তা (তথ্য) সুকুমার কিস্কু বলেন, প্রতি বছর কৃষি যন্ত্রায়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পোর্টালে তথ্য আপলোড ও হার্ডকপি জমা দেওয়ার দু’টি ধাপ আছে। ফার্মমেকানাইজেশন পোর্টালে চাষিদের তথ্য আপলোড করতে হবে। এর আগে তার হার্ডকপি সংশ্লিষ্ট ব্লক অফিসে জমা করতে হতো। এবারে দুয়ারে সরকারের শিবিরে চাষিরা তাদের হার্ডকপি জমা করতে পারবেন। এই প্রকল্পে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকেই আমাদের এই পোর্টাল খুলে যাবে।



